Articles by "রকমারি রান্না"
রকমারি রান্না

গাজরের হালুয়া রেসিপি

Gajar-Halwa-Recipe-Bengali-Sweets-Recipe


উপকরণ :- গাজর ৩০০ গ্রাম, দুধ ৩০০ গ্রাম, খোয়াক্ষীর ৫০ গ্রাম, কিছু কাজুবাদাম আর কিশমিশ, চিনি ৫০ গ্রাম, তেজপাতা ১ টা দারচিনি এক টুকরো, এলাচ ৩ টে আর লাগছে ঘি ১ টেবিল চামচ।

কি ভাবে বানাবেন গাজরের হালুয়া?



প্রণালি :- প্রথমে গাজর গুলোর গা চেঁছে ফেলে দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে। তারপর গাজর গুলো গ্রেড করে নিতে হবে।
খোয়াক্ষীর ও গ্রেড করে নিতে হবে।
এরপর দুধ গরম করতে হবে। দুধ ফুটে উঠলে নামিয়ে নিতে হবে।
গাজরের হালুয়া বানানোর জন্য কড়া গরম করে সামান্য ঘি দিতে হবে। দিয়ে দিতে হবে কাজুবাদাম- কিশমিশ। কাজু-কিশমিশ ভাজা ভাজা হলে খেতে ভালো লাগে। ভাজা হলে কাজু-কিশমিশ নামিয়ে নিতে হবে।
আবার কড়াতে ঘি দিতে হবে। ঘি গলে গেলে দিতে হবে তেজপাতা, এলাচ আর দারচিনি। এলাচ ফাটিয়ে তেলে দেবেন। সামান্য ভেজে নিতে হবে এতে গন্ধটা ভালো আসে।
এবার দিয়ে দিতে হবে গ্রেড করা গাজর। গাজর ঘি এ ভালোভাবে ভাজতে হবে। গাজর ভাজতে ভাজতেই সেদ্ধ হয়ে যাবে।
গাজর ভালোভাবে ভাজা হলে দিয়ে দিতে হবে চিনি। চিনি দেওয়ার পর আবার বেশ কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করতে হবে।
এরপর দিতে হবে গরম করা দুধ আর ভেজে রাখা কাজু-কিশমিশ।
এবার আঁচ কমিয়ে হতে দিতে হবে।
এরমধ্যে দিয়ে দিতে হবে গ্রেড করা খোয়াক্ষীর।
সব উপকরণ মিশিয়ে নিতে হবে।
ঠাণ্ডা হলে হালুয়া বসে যায়। তাই একটু পাতলা থাকতে থাকতে ই নামিয়ে নিতে হবে। তৈরি গাজরের হালুয়া।

নিরামিষ শসার তরকারি 

Cucumber-curry-Niramish-Ranna


উপকরণ :- ৫০০ গ্রাম শসা, ভেজানো কাঁচা ছোলা, ২ টো কাঁচা লঙ্কা চেঁরা, তেজপাতা ১ টা, গোটা শুকনো লঙ্কা ২ টো, পাঁচ ফোড়ন সামান্য, সরষে বাটা ১/২ চামচ, আদা বাটা ১/২ চামচ, নুন পরিমাণ মতো আর লাগছে সাদা তেল ১ চামচ।

কি ভাবে বানাবেন নিরামিষ শসার তরকারি ?



প্রণালি :- প্রথমে শসার খোসা ফেলে দিয়ে সরু সরু করে কাটতে হবে। কাটার সময় একটু করে শসা খেয়ে দেখবেন, যদি তেতো হয় সেই শসাটা দেওয়ার দরকার নেই। আর এটা বানানোর চেষ্টা করবেন নরম শসা দিয়ে।
এরপর কড়া গরম করে তেল দিতে হবে। তেলের মধ্যে দিতে হবে তেজপাতা, গোটা শুকনো লঙ্কা আর পাঁচ ফোড়ন।
তেলে সামান্য ভাজার পর এক এক করে দিয়ে দিতে হবে নারকেল কোড়া, ভেজানো ছোলা, কাঁচা লঙ্কা চেঁরা, আদা বাটা আর হলুদ গুঁড়ো। তেলে সব উপকরণ ভালোভাবে ভেজে নিতে হবে। নারকেল ভাজা ভাজা হলে খেতে ভালো লাগে।
এরপর দিতে হবে সরষে বাটা, বেশি ভাজলে সরষে বাটা তেতো লাগতে পারে, তাই বেশি নাড়াচাড়া করবার দরকার নেই।
এর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে কুচানো শসা আর পরিমাণ মতো নুন।
আমি নিরামিষ তরকারি বানাচ্ছি, আপনারা এটা চিংড়ি মাছ দিয়েও এটা বানাতে পারেন। ভাজা চিংড়ি মাছ এ সময় দিয়ে দিতে পারেন।
এবার এটা হতে দিতে হবে ১৫ মিনিট, তবে মাঝারি আঁচে।
মাঝে মাঝে ঢাকা খুলে নাড়াচাড়া করে আবার ঢাকা দিয়ে হতে দিতে হবে।
শসা থেকে জল বের হয় তাই রান্নার সময় জল দেবেন না। শসার তরকারি শুকনো শুকনো হয়।
১৫ মিনিট পর নামিয়ে নিন শসার তরকারি

চিলি-সয়া চাঙ্কস রেসিপি

 Soya-Chilli-Recipe-soyabean-Chilly

উপকরন :- সোয়াবিন ১ বাটি, পরিমাণ মতো নুন, গোল মরিচ গুঁড়ো ১ চামচ এর ৪ ভাগের ১ ভাগ, আদা-রুসুন বাটা ১/২ চামচ, লঙ্কা গুঁড়ো ১/২ চামচ, কর্নফ্লাওয়ার ১ টেবিল চামচ, সোয়া সস ১ চামচ, ভিনিগার ১ চামচ, টম্যাটো সস ২ টেবিল চামচ, সাদা তেল, আদা- রুসুন কুঁচি ১/২ চামচ, ধনেপাতা কুঁচি ১টেবিল চামচ, ডিম ১ টা, রেড চিলি সস ১ চামচ, ২ টো পেঁয়াজ, অর্ধেক গাজর, অর্ধেক ক্যাপসিকাম আর লাগছে দুটো কাঁচা লঙ্কা।

কি ভাবে বানাবেন চিলি-সয়া রেসিপি ?



প্রণালী :- প্রথমে সোয়াবিন ভেজানোর জন্য একটি পাত্রে জল নিয়ে গরম হতে দিতে হবে। জলের মধ্যে দিতে হবে নুন আর সোয়াবিন। এটা হতে দিতে হবে ৩ মিনিট এর মতো।
৩ মিনিট পর গ্যাস বন্ধ করে দিতে হবে আর সোয়াবিন ঠান্ডা হতে দিতে হবে।
এ সময় সব্জি কেটে নিতে হবে। ক্যাপসিকাম, গাজর আর পেঁয়াজ সরু সরু করে কেটে নিতে হবে। আপনারা চাইলে একটু মোটা মোটা করেও সব্জি কাটতে পারেন। লঙ্কা একটু আরচে করে কেটে নিতে হবে।
সোয়াবিন ঠান্ডা হলে জল থেকে নিংড়ে তুলে নিতে হবে একটি পাত্রে।
এরপর সোয়াবিনের মধ্যে দিতে হবে সোয়া সস ১/২ চামচ, রেড চিলি সস, ১ চামচ টম্যাটো সস, লঙ্কা গুঁড়ো, আদা- রুসুন বাটা, দিতে হবে নুন সামান্য, ডিম টা ফাটিয়ে দিয়ে দিতে হবে ওর মধ্যে, আর দিতে হবে ১ টেবিল চামচ কর্নফ্লাওয়ার এর ৩ ভাগের ২ ভাগ। হাত দিয়ে সব উপকরণ মিশিয়ে নিতে হবে।
সোয়াবিন ডুবো তেলে ভাজবার জন্য তেল গরম হতে দিতে হবে।
তেল গরম হলে সোয়াবিন দিয়ে দিতে হবে। তারপর সোয়াবিন ভাজা হলে তুলে নিন।
এরপর সোয়া চিলি বানানোর জন্য কড়া গরম করে তেল দিতে হবে।
তেলের মধ্যে দিতে হবে পেঁয়াজ আর গাজর কুঁচি। সব সব্জি বেশি ভাজবার দরকার নেই।
পেঁয়াজ আর গাজর হালকা ভাজা হলে দিয়ে দিতে হবে আদা-রুসুন কুঁচি, ক্যাপসিকাম আর কাঁচা লঙ্কা কুঁচি। আবার দিতে হবে সামান্য নুন। সব উপকরণ নাড়াচাড়া করে নিতে হবে তবে বেশি ভাজবার দরকার নেই, একটু সেঁতলে নিলেই হবে।
এরপর দিতে হবে ভিনিগার, সোয়া সস, টম্যাটো সস আর দিতে হবে বাকী যে কর্নফ্লাওয়ার ছিলো তার মধ্যে অল্প জল দিয়ে গুলিয়ে নিয়ে ওর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে।
সামান্য নাড়াচাড়া করে নিয়ে ভাজা সোয়াবিন দিয়ে দিতে হবে। সোয়াবিন সব্জির সাথে মিশিয়ে নিতে হবে। এরপর এটা ঢাকা দিয়ে হতে দিতে হবে ৫ মিনিট, তবে মাঝে একবার ঢাকা খুলে নাড়াচাড়া করে আবার ঢাকা দিতে হবে।
৫ মিনিট পর ঢাকা খুলে নিতে হবে। নামানোর আগে দিতে হবে গোল মরিচ গুঁড়ো আর ধনেপাতা কুঁচি।
মিশিয়ে নিলেই তৈরি সোয়া চিলি বা চিলি-সয়া চাঙ্কস।

রুই মাছের ভাপা রান্না

Rui-Bhapa-Bengali-fish-curry-recipe

উপকরণ :- রুই মাছের পিস ৩ টি, নারকেল বাটা ১ টেবিল চামচ, ১ টা টম্যাটো সেদ্ধ করে খোসা ফেলে দিয়ে বেটে নিতে হবে, সরষের তেল ২ চামচ, পোস্ত বাটা ১ চামচ, কাজুবাদাম বাটা ১ চামচ, সরষে বাটা ১ টেবিল চামচ, ৩ টি চেঁরা কাঁচা লঙ্কা, লঙ্কা গুঁড়ো আধা চা চামচ, হলুদ গুঁড়ো আধা চা চামচ আর লাগছে নুন পরিমাণ মতো।

কি ভাবে বানাবেন রুই মাছের ভাপা ?


প্রণালি :- প্রথমে রুই মাছের পিস গুলো তে নুন আর হলুদ দিয়ে মাখিয়ে নিতে হবে।
এরপর সব মশলা এক সাথে মেশানোর জন্য একটি পাত্র নিতে হবে। ওর মধ্যে এক এক করে দিতে হবে টম্যাটো বাটা, নারকেল বাটা, পোস্ত বাটা, কাজুবাদাম বাটা, লঙ্কা- হলুদ গুঁড়ো, সরষে বাটা আর ১ কাপের মতো জল। সব মশলা মিশিয়ে নিতে হবে।
এরপর কড়া গরম করে তেল দিতে হবে। গরম তেলের মধ্যে দিতে হবে নুন- হলুদ মাখানো মাছ। মাছ উল্টে পাল্টে ১ মিনিট ভাজতে হবে। আপনারা মাছ না ভেজেও রুই মাছের ভাপা বানাতে পারেন। তখন মাছ আর সব মশলা এক সাথে মাখিয়ে ১৫ মিনিট রেখে দেবেন। তারপর সব উপকরণ কড়াতে দিয়ে ঢাকা দিয়ে বানাতে পারেন।
ইলিশ মাছের ভালো গন্ধ থাকে কিন্তু রুই মাছের গন্ধ থাকে তাই আমি একটু ভেজে নিয়ে রুই মাছের ভাপা বানাই, আর খেতেও ভালো লাগে।
মাছ ভাজার মধ্যে দিয়ে দিতে হবে মশলার মিশ্রন।
এরপর ঢাকা দিয়ে হতে দিতে হবে প্রায় ২০ মিনিট আঁচ কমিয়ে। কিন্তু মাঝে মাঝে ঢাকা খুলে নাড়াচাড়া করে আবার ঢাকা দিয়ে হতে দিতে হবে।
২০ মিনিট পর ঢাকা খুলে ওপরে ছড়িয়ে দিতে হবে সামান্য কাঁচা সরষের তেল।
মিশিয়ে নিলেই তৈরি রুই মাছের ভাপা।

সোয়াবিন আলু পোস্ত রেসিপি

Soyabean-Aloo-Posto-Bengali-Recipe

উপকরণ :- সোয়াবিন, ২ টো আলু মাঝারি মাপ করে কাটা ( আলু আর সোয়াবিন দুটো মিলিয়ে প্রায় ২৫০ গ্রাম), ৬ টা কাঁচা লঙ্কা কুঁচি, ২ টো পেঁয়াজ কুঁচি, ২ টো টম্যাটো কুঁচি, নাড়কেল বাটা ১ টেবিল চামচ, নুন পরিমাণ মতো, হলুদ গুঁড়ো ১ চামচ এর ৪ ভাগের ১ ভাগ, বাদাম গুঁড়ো ১ চামচ( বাদাম শুকনো কড়াতে ভেজে গুঁড়ো করা), পাঁচ ফোড়ন সামান্য, পোস্ত বাটা ৩ টেবিল চামচ আর লাগছে তেল ২ টেবিল চামচ।
 

কি ভাবে বানাবেন সোয়াবিন আলু পোস্ত ?

প্রণালি :- রান্নার ১০ মিনিট আগে হালকা গরম জলে সোয়াবিন ভিজিয়ে দিতে হবে। ১০ মিনিট সোয়াবিন জল থেকে নিংড়ে তুলে নিতে হবে।
সোয়াবিন আলু পোস্ত বানানোর জন্য কড়া গরম করে তেল দিতে হবে। তেলে আলু দিয়ে ভেজে তুলে নিতে হবে।
ওই তেলেই দিয়ে দিতে হবে সোয়াবিন। সোয়াবিন ভালোভাবে ভাজতে হবে। ভাজা সোয়াবিন তুলে নিতে হবে।
সোয়াবিন তুলে নেওয়ার পর কড়াতে আবার তেল দিতে হবে।
তেলের মধ্যে দিয়ে দিতে হবে পাঁচ ফোড়ন। এরপর দিতে হবে পেঁয়াজ কুঁচি।
পেঁয়াজ ভাজা হবে ওর মধ্যে দিতে হবে টম্যাটো কুঁচি, কাঁচা লঙ্কা কুঁচি, হলুদ গুঁড়ো আর নুন। এ সময় নুন দিলে টম্যাটো তাড়াতাড়ি সেদ্ধ হয়ে যায়। আমি এখানে ৬ টা কাঁচা লঙ্কা দিলাম আপনারা চাইলে অবশ্যই কম বা বেশি দিতে পারেন।
টম্যাটো সেদ্ধ হলে নাড়কেল বাটা আর পোস্ত বাটা দিয়ে দিতে হবে।
সামান্য নাড়াচাড়া করে নিতে হবে। নাড়কেল বাটা ভাজা ভাজা হলে গ্রেভিও খেতে ভালো হয়।
এরপর দিতে হবে জল। জল একটু বেশি করেই দিতে হবে। যেনো আলু - সোয়াবিন সেদ্ধ হয়।
এরমধ্যে দিতে হবে ভেজে রাখা সোয়াবিন- আলু আর ভাজা বাদাম গুঁড়ো।
সব উপকরণ মিশিয়ে ঢাকা দিয়ে হতে দিতে হবে ১৫ মিনিট।
১৫ মিনিট পর নামিয়ে নিন সোয়াবিন আলু পোস্ত।

সব্জি দিয়ে রুই মাছের ঝোল রেসিপি


উপকরণ :- রুই মাছের পিস ৪ টে, আলু ১টা, সঁজনে ডাঁটা ২টো, ফুলকপি প্রায় ১০০ গ্রাম, ১টা টম্যাটো কুঁচি, ধনেপাতা কুঁচি ১ টেবিল চামচ, ১ টা পেঁয়াজ কুঁচি, নুন পরিমাণ মতো, লঙ্কা গুঁড়ো ১ চামচ, সরষের তেল ২ টেবিল চামচ, হলুদ গুঁড়ো আধা চা চামচ, আদা বাটা আধা চা চামচ, জিরে বাটা আধা চা চামচ আর লাগছে পোস্ত বাটা ১ চামচ।


প্রণালি :- প্রথমে আলু, ফুলকপি, আর সজনে ডাঁটা এমন ভাবে কাটতে হবে যেনো সব সব্জি একসাথে সেদ্ধ হয়। মাছে মাখিয়ে নিতে হবে হলুদ আর পরিমাণ মতো নুন। এরপর মাছ ভাজবার জন্য কড়াই গরম তেল দিতে হবে। তেল গরম হলে এক এক করে মাছের পিস দিয়ে দিতে হবে। উল্টে পাল্টে মাছ গুলো লালচে করে ভেজে তুলে নিতে হবে। এই তেলেই দিতে হবে ফুলকপি। সামান্য ভেজে ফুলকপি গুলো তুলে নিতে হবে। এরপর তেলে দিতে হবে আলু। আলু অর্ধেক ভাজা হলে পেঁয়াজ কুঁচি দিতে হবে। পেঁয়াজ আর আলু লালচে করে ভাজা হলে এক এক করে দিয়ে দিতে হবে আদা বাটা, জিরে বাটা, পোস্ত বাটা, হলুদ গুঁড়ো আর লঙ্কা গুঁড়ো। সব মশলা তেলের সাথে ভালোকরে কষিয়ে নিতে হবে। আর এর মধ্যে দিয়ে দিয়ে হবে সঁজনে ডাঁটা আর টম্যাটো। মশলার সাথে সামান্য নাড়াচাড়া করার পর জল দিতে হবে। সব সব্জি যেনো প্রায় ডুবে থাকে এমন জল দিতে হবে। আপনারা কতোটা ঝোল চান অবশ্যই সেই মতো জল দেবেন। এরপর ওতে দিতে হবে পরিমাণ মতো নুন আর ভাজা ফুলকপি। এবার এটা ঢাকা দিয়ে হতে দিতে হবে ১৫ মিনিট। ১৫ মিনিট পর ঢাকা খুলে ভেজে রাখা মাছ গুলো দিয়ে দিতে হবে। ঝোলের সাথে মাছ হতে দিয়ে হবে প্রায় ২-৩ মিনিট। নামানোর আগে ধনেপাতা কুচি দিলেই তৈরি সব্জি দিয়ে রুই মাছের ঝোল।।

চিংড়ি মাছের দোপেঁয়াজা কিভাবে বানাবেন?

চিংড়ি মাছের দোপেঁয়াজা রেসিপি  

উপকরণ :- চিংড়ি মাছ ৩০০ গ্রাম, ২ টো পেঁয়াজ বাটা, ২টো পেঁয়াজ কুঁচি( একটু মোটা করে কাটা), ১টা বড়ো টম্যাটো লম্বা লম্বা করে কাটা, ২ টো কাঁচালঙ্কা লম্বা লম্বি না চিঁড়ে ৬ ভাগ করে নিতে হবে, ধনেপাতা কুঁচি ১ টেবিল চামচ, আদা-রুসুন বাটা ১ চামচ, লঙ্কা গুঁড়ো ১/২ চামচ, হলুদ গুঁড়ো ১ চামচ এর ৪ ভাগের ১ ভাগ, নুন পরিমাণ মতো, সাদা তেল ২ টেবিল চামচ, আর লাগছে রোস্টেড গুঁড়ো মশলা ( গোটা ধনে-জিরে ১ চামচ, লবঙ্গ ৪ টি, এলাচ ২ টি, দারচিনি ১ টি, গোল মরিচ ৬টি, সব উপকরণ শুকনো কড়াই তে ভেজে গুঁড়ো করা )।


প্রণালি :- চিংড়ি মাছের দোপেঁয়াজা বানানোর জন্য কড়াই গরম করে তেল দিতে হবে। এ সময় চিংড়ি মাছে মাখিয়ে নিতে হবে পরিমাণ মতো নুন - হলুদ আর দিয়ে দিতে হবে গরম তেলে। ভালোকরে ভেজে তুলে নিতে হবে। ওই তেলেই মোটা করে কাটা পেঁয়াজ দিতে হবে। পেঁয়াজ অর্ধেক ভাজা হলে দিতে হবে টম্যাটোর টুকরো। টম্যাটো আর পেঁয়াজ ভালোভাবে ভেজে তুলে নিতে হবে। এরপর গ্রেভি বানানোর জন্য কড়াইয়ে তেল দিতে হবে। তেলে দিতে হবে পেঁয়াজ বাটা আর নুন। পেঁয়াজ বাটা দেওয়ার পর নুন দিলে তেল ছিটকাবেনা। পেঁয়ার এর কাঁচা গন্ধ না যাওয়া প্ররযন্ত ভাজতে হবে। এরপর দিতে হবে আদা-রুসুন বাটা, হলুদ গুঁড়ো আর লঙ্কা গুঁড়ো। এখানে গোল মরিচ আর কাঁচালঙ্কা দেওয়া হবে তাই লঙ্কা গুঁড়োর পরিমাণটা আপনারা দেখে দেবেন। আদা-রুসুনের কাঁচা গন্ধটা থেকে গেলে খেতে ভালো লাগবেনা তাই আদা-রুসুন ভেজে নিতে হবে। এরপর দিতে হবে ২ কাপ জল। ওর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে ভেজে রাখা পেঁয়াজ, টম্যাটো, চিংড়ি মাছ, কাঁচালঙ্কা কুঁচি আর ভাজা গুঁড়ো মশলা। গ্রেভির সাথে সব উপকরণ মিশিয়ে নিয়ে হতে দিতে হবে ১০ মিনিট আর মাঝে এক নাড়াচাড়া করে নিতে হবে। নামানোর আগে দিতে হবে ধনেপাতা কুঁচি। গ্রেভির সাথে ধনেপাতা মিশিয়ে নিলেই তৈরি চিংড়ি মাছের দোপেঁয়াজা।



ডিমের কোরমা খুব সহজ অসাধারন একটি রেসিপি 

Dimer-korma-recipe-Egg-korma-recipe

উপকরণ :- সেদ্ধ ডিম ৫টা, ঘি ১ টেবিল চামচ, সামান্য কাশ্মীরি লঙ্কার গুঁড়ো আর হলুদ গুঁড়ো, তেজপাতা ১টা, এলাচ ২টো, দারচিনি ১টা, গরম মশলা ১ চামচ এর ৪ ভাগের ১ ভাগ, লবণ পরিমাণ মতো, টক দই ১/২ কাপ, নারকেলের দুধ, আদা রুসুনের পেস্ট ১ চামচ, চিনি ১/২ চামচ, কাঁচালঙ্কা কুঁচি, ২ টো গোটা কাঁচালঙ্কা, সাদা তেল ২ চামচ, গোটা জিরে ১/২ চামচ, গোটা ধনে ১/২ চামচ, কাজুবাদাম ৫টা আর লাগছে ২টো মাঝারি মাপের পেঁয়াজ কুঁচি।


প্রণালি :- ডিমের কোরমার গ্রেভি বানানোর জন্য প্যান গরম করে তেল দিতে হবে ২ চামচ। তেলে দিতে হবে গোটা জিরে আর গোটা ধনে। জিরে আর ধনে সামান্য ভাজা হলে দিয়ে দিতে হবে পেঁয়াজ কুঁচি আর কাঁচালঙ্কা কুঁচি। আমি এখানে ২ টো কাঁচালঙ্কা কুঁচি নিয়েছি। আপনারা চাইলে কম বা বেশি দিতে পারেন। পেঁয়াজ আর কাঁচালঙ্কা ভালোকরে ভাজতে হবে। যতো ভালো করে ভাজবেন গ্রেভি তত খেতে ভালো হবে। পেঁয়াজ ভাজার পর ওতে দিতে হবে আদা রুসুনের পেস্ট, কাশ্মীরি লঙ্কার গুঁড়ো আর হলুদ গুঁড়ো। হলুদ আর লঙ্কার গুঁড়ো সামান্যই দিতে হবে গ্রেভির হলকা রঙ এর জন্য। আদা রুসুন পেঁয়াজ এর সাথে ভেজে নিতে হবে। যেনো আদা রুসুনের কাঁচা গন্ধ চলে যায়। এরপর দিতে হবে টক দই। পেঁয়াজ এর সাথে টক দই নাড়তে হবে যতোক্ষণ না মশলা থেকে তেল ছেড়ে যায়। এরপর এই সব মশলা একসাথে পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে। ডিম গুলো ছুরি দিয়ে মাঝে মাঝে চিঁরে দিতে হবে যাতে গ্রেভি ডিমের ভেতর ঢোকে। ডিমের কোরমা বানানোর জন্য কড়াই গরম করে ঘি দিতে হবে। ঘি এ ফোড়ন দিতে হবে তেজপাতা, এলাচ আর দারচিনি। ফোড়ন থেকে গন্ধ আসলেই ডিম গুলো দিয়ে দিতে হবে। কোরমার ডিম সামান্য ভাজতে হয়। ডিম সামান্য ভাজা হলে ওতে দিয়ে দিতে হবে পেঁয়াজ আর মশলার পেস্ট, নারকেলের দুধ ও দিয়ে দিতে হব। নারকেলের দুধ আমি বানিয়েছি ১/২ নারকেল আর ২ কাপ জল দিয়ে। আর দিতে হবে গোটা কাঁচালঙ্কা, চিনি আর পরিমাণ মতো লবণ। ডিমের সাথে গ্রেভি নাড়াচাড়া করে ঢাকা দিয়ে হতে দিতে হবে মাঝারি আঁচে ১০ মিনিট। ১০ মিনিট পর গরম মশলা গুঁড়ো আর সামান্য ঘি। গ্রেভির সাথে ১ মিনিট হতে দিতে হবে। তৈরি ডিমের কোরমা।

সহজেই তৈরি করুন কাঁচ কলার কোপ্তা কারী

কাঁচ-কলার-কোপ্তা-কারী-রেসিপি

উপকরণ :- কাঁচা কলা ২ টো, মাঝারি মাপের আলু ১ টা, ব্যাসন ২ টেবিল চামচ, গরম মশলা গুঁড়ো আর রোস্টেড ধনে জিরে গুঁড়ো সব মিলিয়ে ১ চামচ, আদা রুসুনের পেস্ট ১ চামচ, চারমগজ বাটা ১ চামচ, ২ টো বড়ো পেঁয়াজ সরু সরু করে কাটা, ধনেপাতা কুঁচি ১ টেবিল চামচ, ২ টো টম্যাটো কুঁচি, ২ টো কাঁচালঙ্কা কুঁচি, সাদা তেল কোপ্তা ভাজার জন্য, লবণ পরিমাণ মতো, লঙ্কার গুঁড়ো ১ চামচ, সরষের তেল ২ চামচ, ফোড়নের জন্য লাগছে এলাচ ১ টা লবঙ্গ ৩ টে দারচিনি ১ টা, হলুদ গুঁড়ো ১/২ চামচ আর লাগছে ঘি ১ চামচ।


প্রণালি :- কাঁচা কলার কোপ্তা বানানোর জন্য প্রথমে খোসা সমেত আলু আর কাঁচা কলা সেদ্ধ করে নিতে হবে। সেদ্ধ হওয়ার পর আলু আর কাঁচা কলার খোসা ফেলে দিতে হবে। কোপ্তা বানানোর জন্য একটি পাত্রে নিতে হবে কলা, আলু, সামান্য হলুদ গুঁড়ো, পরিমাণ মতো লবণ, রোস্টেড ধনে গুঁড়ো, জিরে গুঁড়ো, গরম মশলা গুঁড়ো, কাঁচা লঙ্কা কুঁচি, পেঁয়াজ কুঁচি আর ব্যসন। এখানে পেঁয়াজ কুঁচি অল্প দিতে হবে বাকী পেঁয়াজ কুঁচি গ্রেভি বানানোর সময়। সব উপকরণ হাত দিয়ে একসাথে মেখে নিতে হবে। কোপ্তা ভাজবার জন্য তেল গরম হতে দিতে হবে। তেল গরম হলে মাখা আলু কাঁচা কলা থেকে অল্প অল্প করে নিয়ে গোল গোল কোপ্তা বানিয়ে গরম তেলে দিয়ে দিতে হবে। আপনারা চাইলে তেল গরম হতে দেওয়ার আগেই গোল গোল করে আগেই কোপ্তা বানিয়ে নিতে পারেন। আসলে কোপ্তা গুলো ভালো করে গোল না হলে ভাজবার সময় ফেটে যেতে পারে। উল্টে পাল্টে লাল করে কোপ্তা ভাজতে হবে। কাঁচা কলার কোপ্তা সবসময় মাঝারি আঁচে ভাজবেন। তাহলে কোপ্তার ভেতরটা ভালোভাবে ভাজা হবে। কোপ্তা ভাজা হয়ে গেলে তেল ঝড়িয়ে তুলে নিতে হবে। গ্রেভি বানানোর জন্য কড়াই গরম করে সরষের তেল দিতে হবে। তেলে ফোড়ন দিতে হবে এলাচ, লবঙ্গ আর দারচিনি। তেলের সাথে সামান্য নাড়াচাড়া করে ওতে দিতে হবে পেঁয়াজ কুঁচি। পেঁয়াজ বেশ কিছুক্ষণ ধরে নাড়াচাড়া করতে হবে। পেঁয়াজ ভালোভাবে ভাজা হলে ওতে দিয়ে দিতে হবে আদা রুসুনের পেস্ট, হলুদ গুঁড়ো, লঙ্কা গুঁড়ো আর চারমগজ বাটা। সব মশলা তেলের সাথে ভেজে নিতে হবে। যাতে আদা রুসুনের কাঁচা গন্ধটা চলে যায়। এরপর দিতে হবে টম্যাটো কুঁচি। টম্যাটো খুব ছোটো ছোটো করে কাটতে হবে। টম্যাটো দেওয়ার পর দিতে হবে পরিমাণ মতো লবণ। এখন লবণ দেওয়ার কারণ টম্যাটো ভালোকরে সেদ্ধ হবে। টম্যাটোর সাথে লবণ মিশিয়ে নিয়ে ঢাকা দিয়ে হতে দিতে হবে ৫ মিনিট। আর মাঝে ১ বার ঢাকা খুলে নাড়াচাড়া করে নিতে হবে। ৫ মিনিট পর ঢাকা খুলে দিতে হবে। এরপর এতে দিতে হবে ধনেপাতা কুঁচি। আপনারা চাইলে ধনেপাতা কোপ্তা কারী নামানোর সময়ও দিতে পারেন। ধনেপাতা পেঁয়াজ আর টম্যাটোর সাথে সামান্য নাড়াচাড়া করেই ওতে দিতে হবে জল। জল একটু বেশি করেই দিতে হবে, কারণ কোপ্তা গুলো ভাজা। গ্রেভির মধ্যে দিয়ে দিতে হবে কোপ্তা। গ্রেভির সাথে কোপ্তা হতে দিতে হবে ৫ মিনিট মাঝারি আঁচে। মাঝে মাঝে কোপ্তা উল্টে দিতে হবে যাতে কোপ্তার ভেতরে গ্রেভি ভালোভাবে ঢোকে। ৫ মিনিট পর ওতে দিতে হবে ঘি। ঘি দেওয়ার পর ১ মিনিট হতে দিতে হবে। তৈরি কাঁচা কলার কোপ্তা কারী।

সিঙ্গারা রেসিপি- সিঙ্গারা বানানোর পদ্ধতি

উপকরণ:- ময়দা ১ কাপ, সাদা তেল, পরিমাণ মতো লবণ, সামান্য খাবার সোডা, গরম মশলা গুঁড়ো ১ চামচ এর ৪ ভাগের ১ ভাগ, হলুদ গুঁড়ো ১ চামচ এর ৪ ভাগের ১ভাগ, সামান্য মৌরি, দুটো মাঝারি মাপের আলু সেদ্ধ, বাদাম ভাজা ২ চামচ, রোস্টেড জিরে গুঁড়ো ১/২ চামচ, ১ টা বড়ো পেঁয়াজ কুঁচানো, ধনেপাতা কুঁচি ১ চামচ, আদা রুসুন ছেঁচা ১/২ চামচ আর ৪ টে গোটা শুঁকনো লঙ্কা তেলে দিয়ে ভেজে হাত দিয়ে গুঁড়ো করা।।

samosa-recipe-Bengali-Singara-recipe

প্রণালি :- সিঙ্গারা বানানোর জন্য প্রথমে ময়দা মাখতে হবে। তাই একটি পাত্রে ময়দা নিতে হবে আর ওতে দিতে হবে সামান্য খাবার সোডা আর পরিমাণ মতো লবণ। ময়দার সাথে লবণ আর সোডা ভালোভাবে মিশিয়ে নিয়ে দিতে হবে ২ টেবিল চামচ তেল। তেল আর ময়দা ভালোকরে মিশিয়ে নিতে হবে। এরপর অল্প অল্প করে জল দিয়ে ময়দা মাখতে হবে। সবসময় মনে রাখবেন সিঙ্গারা বানাতে হলে ময়দা মাখাটা যেন পতলা না হয়ে যায়। একটু শক্ত রাখতে হবে। তাই সবসময় অল্প অল্প করে জল দিয়ে ময়দাটা মাখবেন। ময়দা ভালোভাবে মাখা হয়ে গেলে ঢাকা দিয়ে রেখে দিতে হবে ১৫ মিনিট এর মতো। এরপর বানাতে হবে সিঙ্গারার পুর। তাই কড়াই গরম করে ১ চামচ তেল দিতে হবে। তেল গরম হলে দিতে হবে গোটা মৌরি। মৌরি ভাজা হয়ে এলে ওতে দিতে হবে কুঁচানো পেঁয়াজ। পেঁয়াজ সামান্য ভেজে নিতে হবে। পেঁয়াজ হাফ ভাজা ভাজা হয়ে এলে দিতে হবে আদা রুসুন ছেঁচা। পেঁয়াজ এর সাথে আদা রুসুন সামান্য নেড়েচেড়ে নিয়ে দিতে হবে সেদ্ধ আলু। আলু গুলো খুঁন্তি দিয়ে ভেঙ্গে নিতে হবে, তবে পুরপুরি ম্যাশ করার দরকার নেই। ছোট টুকরো টুকরো করে নিতে হবে। এখানে আমি সেদ্ধ আলু ব্যাবহার করেছি। আপনারা চাইলে ছোট ছোট করে আলু কেটে এটা বানাতে পারেন। সেক্ষেত্রে পুর বানানোর সময় সামান্য জল ব্যাবহার করতে হবে। না হলে আলু সেদ্ধ হবে না। এরপর কড়াই দিতে হবে পরিমাণ মতো লবণ, গরম মশলা গুঁড়ো, রোস্টেড জিরে গুঁড়ো, হলুদ গুঁড়ো, ভাজা বাদাম, আমি বাদাম কড়াই সামান্য তেল দিয়ে ভালোভাবে ভেজে নিয়ে খোসা ফেলে দিয়ে ২ ভাগ করে নিয়েছি। আর দিতে হবে ভাজা লঙ্কা, আমি এখানে ৪ টে শুকনো লঙ্কা ব্যাবহার করেছি আপনারা চাইলে বেশি বা কম দিতে পারেন। সব উপকরণ ভালোভাবে ভেজে নিতে হবে। সবশেষে দিতে হবে ধনেপাতা। এক দুবার নাড়াচাড়া করে নামিয়ে নিতে হবে। তৈরি সিঙ্গারার পুর। ওভেন থেকে নিমিয়ে ঠাণ্ডা করে নিতে হবে। এরপর মাখানো ময়দা থেকে ২ টো লেচি কাটতে হবে। ২ টো লেচি থেকে ৪ টে সিঙ্গারা বানানো হবে। এরপর সামান্য ময়দা দিয়ে ১ টা লেচি থেকে ১ টা বড়ো রুটি বেলে নিতে হবে। তবে সিঙ্গারা বানানোর ক্ষেত্রে রুটিটা একটু লম্বা করে বেলতে হবে। লম্বা রুটি টাকে একটা ছুরি দিয়ে মাঝামাঝি দুভাগ করে নিতে হবে। দুভাগের একটি ভাগ নিয়ে সিঙ্গারা বানানোর জন্য যে ধারটা ছুরি দিয়ে কাটা হয়েছে ঐ ধারে সামান্য জল বুলিয়ে দিতে হবে। এরপর দুপাট করে নিতে হবে আর হাত দিয়ে ধার ভালোভাবে চেপে দিতে হবে। এমন ভাবে চাপতে হবে যেনো ভাজবার সময় খুলে না যায়। একটা খিলি তৈরি হবে। খিলিটা বাঁহাতে নিয়ে ওতে পুর দিতে হবে। যে দিকটা বড়ো ঐ দিকে একটা ভাঁজ দিতে হবে ছোট দিকটার সমান করে। আর ছোট দিকে সামান্য জল বুলিয়ে দিতে হবে। জল বোলানোর পর ভাঁজ করা বড়ো দিকটা টেনে নিয়ে এসে ছোটো দিকের সাথে মিশিয়ে নিয়ে হাত দিয়ে ভালোভাবে চেপে দিতে হবে। এইভাবে সব সিঙ্গারা বানিয়ে নিতে হবে। সিঙ্গারা বেশি তেল দিয়ে ভাজার জন্য কড়াই গরম করে তেল দিতে হবে। তেল গরম হলে এক এক করে কাঁচা সিঙ্গারা দিয়ে দিতে হবে। তবে খেয়াল রাখতে হবে সিঙ্গারা বানানোর সময় অবশ্যই আঁচ কমিয়ে দিয়ে ভাজতে হবে। খুব গরম তেলে ভাজলে বাইরেটা লাল হয়ে যাবে মচমচে ভাবটা আসবেনা বা ভেতরটা ভালোভাবে হবে না। সিঙ্গারা গুলো লালচে করে ভাজতে হবে তাই তাই মাঝে মাঝে এপিঠ ওপিঠ উল্টে দিতে হবে। সিঙ্গারা ভাজতে একটু বেশি সময় লাগে। সিঙ্গারা ভাজা হলে ভালোভাবে তেল ঝড়িয়ে তুলে নিতে হবে। তৈরি সিঙ্গারা। গরম গরম পরিবেশন করুন। 



বাড়িতে বানান খুব সহজে গুলাব জামুন বা পানতুয়া 

gulab-jamun-pantua-recipe-at-home-bengali-sweets

উপকরণ :- 
  • খোওয়া ১০০ গ্রাম, 
  • ১ চিমটি খাবার সোডা, 
  • কর্ণফ্লাওয়ার ১৫ গ্রাম, 
  •  ময়দা ৪০ গ্রাম, 
  • চিনি ১ কাপ, 
  • জল ১ কাপ, 
  • ২ টো এলাচ থেঁতো, 
  • লেবুর রস ১ চামচ এর ৪ ভাগের ১ ভাগ, 
  • সাদা তেল গুলাব জামুন ভাজার জন্য আর লাগছে বরফ ঠান্ডা জল। 
gulab-jamun-pantua-recipe-at-home-bengali-sweets

আমার অন্যান্য প্রিয় রেসিপিঃ

কিভাবে বানাবেন গুলাব জামুন বা পানতুয়া?




প্রণালি :- আমি ১৪-১৫ গুলাব জামুন বানাবো। আর আপনারা যদি বেশি বানাতে চান ১০০ গ্রাম খোয়ার জায়গায় ২০০ গ্রাম কর্ণফ্লাওয়ার ৩০ গ্রাম আর ময়দা ৮০ গ্রাম এই আনুপাতে নিতে হবে। পানতুয়া বানানোর জন্য প্রথমে চিনির সিরা বানাতে হবে তাই একটি পাত্রে চিনি আর জল দিয়ে গ্যাস ওভেনে বসিয়ে দিতে হবে। চিনি না গোলা পর্যন্ত একটি হাতা দিয়ে নাড়তে হবে। আর ওতে দিতে হবে এলাচ। গুলাব জামুনের সিরা বানাতে বেশি সময় লাগেনা। চিনি গুলে গেলে একটু পরেই নামিয়ে নিতে হয়। চিনির সিরা তৈরি হয়ে গেলে গ্যাস ওভেন থেকে নামিয়ে নিয়ে ওতে দিতে হবে লেবুর রস। লেবুর রস দিলে চিনির সিরা ঠান্ডা হলে বসে যাবে না আর গুলাব জামুন খেতে ভালো হয়। এরপর খোয়া গ্রেড করে নিতে হবে। যদি খোয়া বাজার থেকে কেনা হয় তাহলে গ্রেড করতে হয়। আর যদি আপনারা বাড়িতে খোয়া বানান সেক্ষেত্রে গ্রেড করার দরকার নেই। বাড়িতে বনানো খোয়া নরম হয়। এরপরে গ্রেড করা খোয়ায় দিতে হবে কনরফ্লাওয়ার আর ময়দা। খোয়ার সাথে এগুলো ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। ভালো ভাবে মেশানোর পর এর মাঝখানে গরত করে ওতে দিতে হবে এক চিমটি খাবার সোডা। খাবার সোডা দেবার পর অল্প জল দিয়ে গুলিয়ে নিয়ে এবার মাখাতে হবে খোয়া ময়দার মিশ্রন। তবে বরফ থান্ডা জল দিয়ে। বরফ ঠান্ডা জল আসলে একটা বোতলে জল ভরে ডিপ ফ্রিজে রাখতে হবে। বরফ জমে যাবে। আর ওরই জল দিয়ে এটা মাখতে হবে। তবে অল্প অল্প জল দিয়ে মাখতে হবে। এমন ভাবে মাখতে হবে যাতে মাখাটা পাতলা বা শক্ত না হয়ে যায়। শক্ত হলে গুলাব জামুন ভালো ভাবে গোল করা যাবে না ফেটে যেতে পারে। মাখাটা যতো ভালো করে মাখবেন গুলাব জামুন ফাটার সম্ভাবনা ততো কম। এরপর মাখাটাকে হাত দিয়ে লম্বা করে নিতে হবে আর ছুরি দিয়ে ছোট ছোট করে কেটে নিতে হবে। এক একটা ভাগ নিয়ে হাতের সাহায্যে ভালোভাবে গোল করতে হবে। এমন ভাবে গোল করতে হবে যেনো কোন ফাটার দাগ না থাকে। দাগ থাকলে ভাজবার সময় ফেটে যেতে পারে। একি ভাবে সব বানিয়ে নিতে হবে। ভাজবার জন্য প্যান গরম করে তেল দিতে হবে। তেল বেশি গরম করার দরকার নেই। মাঝারি গরম হলে কাঁচা গুলাব জামুন গুলো এক এক করে সব দিয়ে দিতে হবে। গুলাব জামুন সবসময় বেশি তেলে ভাজতে হয়। তেলে দেবার কিছুক্ষণ পর গুলাব জামুন তেলের উপরে ভেষে উঠবে তখন আঁচ পুরো কমিয়ে দিয়ে ভাজতে হবে। গুলাব জামুন পুরটাই ভাজতে হবে হালকা আঁচে। যতো সময় দেবেন ভেতর টা তত নরম হবে। আর একটা কথা মনে রাখবেন ভাজবার সময় সবসময় হাতা দিয়ে নাড়াচাড়া করতে হবে। লালচে ভাজা হয়ে গেলেই তুলে নিয়ে চিনির সিরার মধ্যে দিয়ে দিতে হবে। চিনির সিররার মধ্যে ডুবিয়ে রাখতে হবে ১ ঘণ্টা। তারপর পরিবেশন করুন পানতুয়া বা গুলাব জামুন।

মাশরুম রেসিপিঃ চিলি মাশরুম

Chilli-Mushroom-Recipe-How-to-make-Chilli-Mushroom-restaurant-style-ingredients

উপকরণ :- মাশরুম ২০০ গ্রাম, শুকনো লঙ্কা গুঁড়ো ১ চামচ এর ৪ ভাগের ১ভাগ, গোল মরিচ গুঁড়ো সামান্য, লবণ পরিমান মতো, সাদা তেল, ১ টা বড়ো পেঁয়াজ কুঁচি, আদা রুসুন কুচি ১/২চামচ, ক্যাপসিকাম কুঁচি ১টা ক্যাপসিকাম এর ৪ ভাগের ১ ভাগ, ১ টা টম্যাটো কুঁচি, টম্যাটো ক্যাপসিকাম আর পেঁয়াজ ছোট চৌক চৌক করে কাটতে হবে, ১টা কাঁচালঙ্কা কুঁচি, ধনেপাতা কুঁচি ১ টেবিল চামচ, আদা রুসুন বাটা ৩ কোয়া রুসুন আর সামান্য আদা, কর্নফ্লাওয়ার ২ টেবিল চামচ, ময়দা ২ টেবিল চামচ, টম্যাটো ক্যাচাপ ৩ টেবিল চামচ, গ্রিন চিলি সস ১ টেবিল চামচ, সোয়া সস ২টেবিল চামচ আর রেড চিলি সস ১ চামচ।

Chilli-Mushroom-Recipe-How-to-make-Chilli-Mushroom-restaurant-style


আমার যত প্রিয় রেসিপিঃ


কিভাবে বানাবেন চিলি মাশরুম রেসিপি? 



প্রণালি :-
প্রথমে মাশরুম পরিমাণ মতো লবণ দিয়ে হাফ সেদ্ধ করে নিতে হবে। ছোট মাশরুম গোটা রাখতে হবে আর বড়ো মাশরুম দুভাগ করে নিতে হবে। এরপর চিলি মাশরুম বানানোর জন্য একটা ব্যাটার বানাতে হবে। তাই একটি পাত্রে নিতে হবে ময়দা, কর্নফ্লাওয়ার, পরিমাণ মতো লবণ, সামান্য লঙ্কা গুঁড়ো, আর আদা রুসুনের পেস্ট। কর্নফ্লাওয়ার সামান্য রেখে দিতে হবে। চিলি মাশরুমের গ্রেভি বানানোর জন্য। ময়দা কর্নফ্লাওয়ার এর সাথে সব উপকরণ ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। আর অল্প অল্প জল দিয়ে ব্যাটারটা গুলতে হবে। অল্প অল্প জল দেবার কারণ ব্যাটারটা যাতে খুব বেশি পাতলা বা ঘন না হয়। ব্যাটার গোলা হলে ওতে দিতে হবে সেদ্ধ করা সব মাশরুম। আর এটা ম্যারিনেট করে রেখে দিতে হবে ৫ মিনিট। ৫ মিনিট পর ম্যারিনেট করা মাশরুম ভাজার জন্য প্যান গরম করে একটু বেশি তেল দিতে হবে। তেল গরম হলে ম্যারিনেট করা মাশরুম এক এক করে দিতে হবে। আর খুন্তি দিয়ে বারবার নাড়তে হবে যাতে একটার সাথে আর একটা মাশরুম লেগে না যায়। সব মাশরুম উল্টে পাল্টে ভালোভাবে ভাজতে হবে। তবে বেশি লাল করে ভাজার দরকার নেই। মাশরুম ভাজা হয়ে গেলে তুলে নিতে হবে। এরপর কড়াই গরম করে ৩ চামচ তেল দিতে হবে। তেলে দিতে হবে আদ রুসুন কুঁচি। আদা রুসুন কুঁচি অল্প একটু ভেজে নিতে হবে। এরপরে দিতে হবে ক্যাপসিকাম কুঁচি। ক্যাপসিকাম তেলের সাথে সামান্য নেড়ে দিতে হবে পেঁয়াজ কুঁচি। পেঁয়াজ কুঁচি তেলের সাথে এক দুবার নেড়েচেড়েই দিতে হবে ট্যমাটো কুঁচি, কাঁচা লঙ্কা কুঁচি আর পরিমাণ মতো লবণ। এবার সব উপকরণ এক সাথে ভাজতে হবে। খুব বেশি ভাজার দরকার নেই। শুধু সব সব্জি সেঁতলে নিতে হবে। এটা পুরটাই বানাতে হবে আল্প আঁচে। যাতে সব সব্জির রং বজায় থাকে। এরপর দিতে হবে টম্যাটো ক্যাচাপ, গ্রিন চিলি সস, রেড চিলি সস আর সোয়া সস। সব উপকরণ ভালো ভাবে মিশিয়ে নিয়ে দিতে হবে ধনেপাতা কুঁচি আর ভেজে রাখা সব মাশরুম। মাশরুম আর গ্রেভি ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। এরপর ১/২ কাপ জল দিয়ে কর্নফ্লাওয়ার গুলে কড়াই দিয়ে দিতে হবে। যাতে গ্রেভিটা গাঢ় হয়। মাশরুম গ্রেভির সাথে হতে দিতে হবে ৫ মিনিট। ৫মিনিট পর দিতে হবে গোল মরিচ এর গুঁড়ো। মাশরুমের সাথে গোল মরিচের গুঁড়ো সামান্য মিশিয়ে নিতে হবে। তৈরি চিলি মাশরুম।

আলু পোস্ত বাংলা রেসিপি 

Aloo-Posto-Bengali-Recipe-Potato-with-Poppy-seeds-paste


উপকরণ :- ২ টো আলু মাঝারি মাপের টুকরো টুকরো করে কাটা, ১টা বড়ো পেঁয়াজ কুঁচানো, কাঁচালঙ্কা ৪টে দুটো চেঁরা আর দুটো গোটা, ১টা টম্যাটো ৪ ভাগ করা, পোস্ত বাটা ২টেবিল চামচ, সরষের তেল ৪ চামচ, লবণ পরিমান মতো, হলুদ গুঁড়ো ১/২ চামচ, ফোড়নের জন্য ১টা গোটা শুকনো লঙ্কা, তেজপাতা ১টা আর কালোজিরে সামান্য।

আমার যত প্রিয় রেসিপিঃ


কিভাবে বানাবেন আলু পোস্ত রেসিপি? 




প্রণালি :-
প্রথমে কড়াই গরম করে তেল দিতে হবে। তেলে ফোড়ন দিতে হবে তেজপাতা, শুকনো লঙ্কা আর কালোজিরে। সামান্য একটু নাড়াচাড়া করে নিতে হবে। ফোড়ন থেকে গন্ধ আসলেই দিয়ে দিতে হবে কেটে রাখা আলু। আলু হাফ ভাজা ভাজা হয়ে এলে ওতে দিয়ে দিতে হবে পেঁয়াজ কুচি আর চেঁরা কাঁচালঙ্কা। আমি এখানে ২টো কাঁচা লঙ্কা দিয়েছি আপনারা চাইলে বেশি দিতে পারেন। পেঁয়াজ আর আলু ভালোভাবে ভেজে নিতে হবে। আলু পেঁয়াজ ভালোভাবে ভাজা হয়ে গেলে দিতে হবে হলুদ গুঁড়ো, পোস্ত বাটা আর সামান্য জল। আলুর সাথে পোস্ত সামান্য নাড়াচাড়া করে নিতে হবে আর ওতে দিয়ে দিতে হবে টম্যাটো। পোস্ত বেশি ভাজবার দরকার নেই। এরপর দিতে হবে ২ কাপ এর মতো জল আর পরিমাণ মতো লবণ। এবার এটা ঢাকা দিয়ে রেখে দিতে হবে ১৫ মিনিট এর মতো। ১৫ মিনিট পর ঢাকা খুলে দিতে হবে সামান্য কাঁচা সরষের তেল আর গোটা কাঁচা লঙ্কা। গোটা কাঁচা লঙ্কা ব্যবহার করার কারণ আলু পোস্ত পরিবেশনের সময় দেখতে ভালো লাগার জন্য। কাঁচা সরষের তেল দিয়ে ২ মিনিট এর মতো হতে দিতে হবে। তৈরি বাঙালীর আলু পোস্ত।

দই বেগুন রেসিপিঃ

doi-begun-eggplant-yogurt-bengali-recipe

উপকরণ :-

  • বেগুন ২৫০গ্রাম মাঝারি মাপের লম্বা লম্বা,
  • পেঁয়াজ এর পেস্ট ১ কাপ,
  • টক দই ১ কাপ,
  • আদা রসুন এর পেস্ট ১ চামচ,
  • দারচিনি ১ টা,
  • লবঙ্গ ৪ টে,
  • এলাচ ৩ টে,
  • কালোজিরে সামান্য,
  • লবণ পরিমাণ মতো,
  • হলুদ গুঁড়ো ১ চামচ,
  • ধনেগুঁড়ো ১ চামচ,
  • জিরেগুঁড়ো ১ চামচ,
  • গরম মশলা গুঁড়ো ১ চামচ,
  • লঙ্কা গুঁড়ো ১ চামচ আর তেল।

আমার যত প্রিয় রেসিপিঃ 

কিভাবে বানাবেন দই বেগুন রেসিপি?



প্রণালি :-

প্রথমে জল দিয়ে বেগুন গুলো ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে। বেগুন এর বোঁটা সমেত আমি দই বেগুন বানাবো তাই বেগুন এর সামান্য বোঁটা রেখে বাকিটা কেটে ফেলে দিতে হবে আর বোঁটার সামনে যে ৩-৪ টে পাপড়ি থাকে সেগুলো কেটে ফেলে দিতে হবে। এই ভাবেই সব বেগুন পরিস্কার করে কেটে নিতে হবে। এরপর ছুরি দিয়ে ১ বার বেগুনের মাঝামাঝি উপর থেকে নীচ চিঁড়ে নিতে হবে। যাতে বেগুনের ভেতরে মশলা মাখানো যায়।কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে বেগুন যেন ২ ভাগ না হয়ে যায়। এই ভাবেই সব বেগুন কেটে নিতে হবে। এবার একটি পাত্রে গরম মশলা গুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো, জিরে গুঁড়ো, সামান্য হলুদ গুঁড়ো, সামান্য লঙ্কা গুঁড়ো আর পরিমাণ মতো লবণ দিয়ে সব একসাথে ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। এবার এই মিশ্রিত মশলা থেকে অল্প অল্প করে নিয়ে সব বেগুনের ভেতরে মাখিয়ে নিতে হবে। আর বাকি মশলা গ্রেভি বানানোর সময় ব্যাবহার হবে। কড়াই এর তেল গরম হলে মশলা মাখানো বেগুন দিয়ে দিতে হবে। বেগুন ভাজার জন্য একটু বেশি তেল দিতে হবে। বেশ কিছুক্ষণ ধরে উল্টে পাল্টে সব বেগুন গুলো ভলো করে ভেজে তুলে রেখে দিতে হবে। এরপর ওই তেলেই ফোড়ন দিতে হবে এলাচ,লবঙ্গ, দারচিনি। একটু নাড়াচাড়া করে কালোজিরে দিয়ে দিতে হবে। ফোড়ন থেকে গন্ধ বেড়লেই ওতে দিয়ে দিতে হবে পেঁয়াজ এর পেস্ট। বেশ কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করতে হবে। পেঁয়াজ ভালোভাবে ভাজা না হলে পেঁয়াজ এর কাঁচা গন্ধটা থেকে যাবে আর দই বেগুন খেতে ভালো লাগবেনা। পেঁয়াজ ভাজা হয়ে গেলে ওতে দিতে হবে হলুদ গুঁড়ো, লঙ্কা গুঁড়ো আর আদা রুসুনের পেস্ট। আদা রুসুনের পেস্ট দেবার পর আবার বেশ কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া কড়তে হবে। এরপরে দিতে হবে মেশানো মশলা ধনে,জিরে,গরম মশলা থেকে ১ চামচ। আর দিতে হবে টক দই। টক দই দেবার আগে দই টা ভালোভাবে ফেটিয়ে নিতে হবে। এবার দিতে হবে পরিমান মতো লবন। কিছুক্ষণ নাড়াচাড়ার পরে দিতে হবে ১ বাটি জল। গ্রেভি ফুটে উঠলেই ভেজে রাখা সব বেগুন দিয়ে দিতে হবে। ৫ মিনিট এর মতো রেখে দিতে হবে আঁচ কমিয়ে আর মাঝে বেগুন উল্টে দিতে হবে। গ্রেভি আর বেগুন মাখামাখি হয়ে গেলেই নামিয়ে নিতে হবে। তৈরি দই বেগুন।


এগ রোল বা ক্যাপসিকাম রোল:

Egg Roll খেতে আমরা সবাই ভালবাসি। বাঙ্গালীর বিকালের খাবারে Egg Roll এক কথায় অসাধারন। Roll নানা ধরনের হয় যেমন Veg Roll, Egg roll, Chicken Egg Roll ইত্যাদি। আজকে আমি দেখাবো একটা অন্য ধরনের রোল, যাকে আপনি বলতে পারেন ক্যাপসিকাম Egg Roll.  এটি খেতে সত্যি অসাধারন। একবার try করে দেখতে পারেন। আমি মনে করি এই রেসিপি টি আপনাদের ভালো লাগবেই। 

how-to-make-egg-roll-at-home

উপকরণ :-
ময়দা ১ কাপ, ডিম ২ টো, চিনি ১ চামচ, গ্রেড করে কাটা গাজর ১ টা, গ্রেড করে কাটা বিট ১ টা, বড়ো ক্যাপসিকাম ১ টা ২ ভাগ করে নিতে হবে, পরিমাণ মতো লবণ, তেল, পেঁয়াজ কুচি ১ টা আর কাঁচালঙ্কা কুচি।



আমার যত প্রিয় রেসিপিঃ 


কিভাবে বানাবেন এগ রোল বা ক্যাপসিকাম রোল রেসিপি? 

প্রণালি :-
প্রথমে ময়দা মাখাতে হবে। ময়দাতে চিনি আর পরিমান মতো লবন দিয়ে মিশিয়ে নিতে হবে। ওতে দিতে হবে ২ চামচ তেল। তেল আর ময়দা ভালোভাবে মিশিয়ে নিয়ে অল্প অল্প জল দিয়ে ময়দা মেখে নিতে হবে। ময়দা মখা ঢাকা দিয়ে রেখে দিতে হবে ১০ মিনিট এর মতো। যেহেতু ২ টো রোল বানানো হবে তাই ১০ মিনিট পর মাখানো ময়দা থেকে ২ টো লেচি কেটে নিতে হবে। এরপর ময়দা দিয়ে ২ টো বড়ো রুটি বেলে নিতে হবে। ১ টি রুটির মাঝামাঝি অর্ধেক ক্যাপসিকাম টা রেখে ওতে সামান্য লবণ দিয়ে ভালোভাবে ক্যাপসিকামটা কে মাখিয়ে নিতে হবে। এরপর ১ টা গোটা ডিম ফাটিয়ে ক্যাপসিকাম এর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে। এরপর পরিমাণ মতো লবণ দিয়ে গ্রেড করা গাজর, গ্রেড করা বিট, পেঁয়াজ কুচি আর কাঁচালঙ্কা কুচি একসাথে ভালোকরে মাখিয়ে নিতে হবে। এই বিট গাজর থেকে অর্ধেক নিয়ে ডিমের ওপর দিয়ে দিতে হবে যাতে ডিম টা বেড়িয়ে না আসে। এরপরে ক্যাপসিকাম টা কে রোল বানাতে হবে তাই এক সাইড এর রুটি ক্যাপসিকাম এর ওপর দিতে হবে আর বিপরীত দিকের রুটি আগের সাইড এর ওপর দিয়ে দিতে হবে। আর যে রুটির ২ দিক পরে আছে একি ভাবে মুড়ে দিতে হবে। এরপর হাত দিয়ে ভালোভাবে ধার গুলো চেপে চেপে দিতে হবে। না হলে ভাজবার সময় খুলে যেতে পারে। একিভাবে ২ টো রোলই বানিয়ে নিতে হবে। এবার এগরোল ভাজার পালা। তাই কড়াই তে একটু বেশি তেল দিতে হবে। তেল গরম হলে একে একে সাবধানে ২ টো রোল দিয়ে দিতে হবে। মনে রাখতে হবে এগরোল বানানোর সময় গ্যাস টা কমিয়ে দিতে হবে। একটু সময় লাগবে না হলে এগরোলের ভেতর টা ভালোভাবে হবেনা। একপিঠ ভাজা হয়ে গেলে অন্য পিঠও ভালোভাবে ভাজতে হবে। উল্টে পাল্টে বার বার রোল গুলো ভাজতে হবে। যতো বেশি সময় দেবেন এগরোল ততোবেশি মুচমুচে হবে আর খেতে ভালো লাগবে। ২ পিঠ লাল করে ভাজলেই তৈরি এগরোল। ছুঁড়ি দিয়ে এগরোল গুলো মাঝামাঝি ২ ভাগ করে নিন। আর সস দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন এগরোল।।

দই পটল রেসিপিঃ

dahi-potolparwal-recipe-totanas-recipe

 

উপকরন :-
পটল ২৫০গ্রাম বড়ো সাইজ এর, দই ১/২ কাপ, পেঁয়াজ এর পেস্ট ১/২ কাপ, আদা রসুন এর পেস্ট ১চামচ, গোটা গরম মশলা, সামান্য হলুদ গুঁড়ো, লঙ্কা গুঁড়ো ১ চামচ, লবণ, সামান্য চিনি, আর তেল।

আমার যত প্রিয় রেসিপিঃ




কিভাবে বানাবেন দই পটল রেসিপি?

প্রণালি :-
প্রথমে পটল গুলো জল দিয়ে ভালো ভাবে ধুয়ে নিতে হবে। এরপর ছুরি দিয়ে পটলের ২ ধার কাটতে হবে। ছোলার দিয়ে মাঝে মাঝে পটলের খোসা ফেলে দিতে হবে ৩-৪ বার। এরপর ছুরি দিয়ে পটলের মাঝ বরাবর চিঁড়তে হবে ৩-৪ বার যেখানে পটলের খোসা ছাড়ানো। সাবধানে পটল গুলো চিঁরতে হবে। যেন পটল গুলো লম্বা লম্বি চিঁরে না যায়। পটল গুলো লম্বা লম্বি চিঁরে গেলে ভাজবার সময় গোটা থাকবেনা। পটল গোটা থাকলে দেখতে ভালো লাগবে। আর পটল মাঝে মাঝে চেঁরার কারন দই পটল বানালে ওর গ্রেভি পটলের ভেতর ঢোকবে আর পটল খেতে বেশি ভালো লাগবে। এইভাবেই সব পটল কাটতে হবে। কাটা পটলে পরিমাণ মতো লবন, আর সামান্য হলুদ দিয়ে ভালোভাবে মাখিয়ে নিতে হবে। এবার পটল ভাজার পালা তাই কড়াই গরম করে তেল দিতে হবে। গোটা পটল ভাজা হবে তাই একটু বেশি তেল দিতে হবে। তেল গরম হলে লবন, হলুদ মাখানো পটল দিয়ে দিতে হবে। পটল একটু লালচে করেই ভাজতে হবে কারণ দই পটলের গ্রেভি বানানোর জন্য কোনো বাড়তি জল ব্যাবহার হবে না। পটল ভাজা হলে তুলে রেখে দিতে হবে। এরপর গরম তেলে গোটা গরম মশলা ফোড়ন দিতে হবে। তেল থেকে গরম মশলার গন্ধ বের হলেই ওতে দিতে হবে পেঁয়াজ এর পেস্ট। বেশ কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করতে হবে, না হলে পেঁয়াজ এর যে কাঁচা গন্ধ সেটা থেকে যাবে। এরপর দিতে হবে আদা রসুনের পেস্ট। প্রায় ১ মিনিট এর মতো নাড়াচাড়া করতে হবে। এবার লঙ্কা গুঁড়ো। লঙ্কা গুঁড়ো নিজের মতো করে দিতে পারেন, বেশি বা কম। গ্রেভির রঙ আর স্বাদের জন্য দিতে হবে সামান্য চিনি। এরপর দিতে হবে পরিমাণ মতো লবণ। রান্নায় দেবার আগে টক দই টাকে ভালোভাবে ফেটিয়ে নিতে হবে। এবার কড়াই দিতে হবে টক দই। টক দই দিয়ে সামান্য নাড়াচাড়া করতে হবে। গ্রেভি তৈরি। এরপর ভেজে রাখা সব পটল গ্রেভির মধ্যে দিয়ে দিতে হবে। গ্যাস এর আঁচ কমিয়ে ২-৩ মিনিট রেখে দিতে হবে। আর বারবার হাতা দিয়ে পটল গুলো নাড়াচাড়া করতে হবে। তবেই পটলের ভেতর গ্রেভি ভালোভাবে ঢোকবে। আর পটল গুলো খেতে ভালো লাগবে। পটল আর গ্রেভি মাখামাখা হয়ে গেলেই তৈরি দই পটল।



বাড়িতে বানান Egg Fried Rice খুব সহজে খুব তাড়াতাড়ি

quick-fried-rice-recipe-at-home-with

এগ ফ্রায়েড রাইস রেসিপিঃ

উপকরণ :- সেদ্ধ বাসমতী রাইস প্রায় 2 বাটি, বিনস- গাজর-ফুলকপি ছোট ছোট করে কাটা 2 কাপ, বীজ ফেলে দিয়ে টম্যাটো কুচি ১/২ কাপ, বাঁধাকপি ১/২ কাপ, লম্বা লম্বা করে কাটা পেঁয়াজ ১/২ কাপ, কাঁচালঙ্কা কুচি ২টি, গোটা রসুন ২ থেকে ৩ কোয়া,লবঙ্গ, এলাচ, দারচিনি, গোলমরিচ গুড়ো ১/২ চামচ, লঙ্কা গুড়ো ১/২ চামচ, ২টো ডিম ঝুড়ো করে ভাজা,লবণ স্বাদ মতো আর সাদা তেল।

আমার যত প্রিয় রেসিপিঃ



প্রণালি :- প্রথমে কড়াইতে ২ চামচ এর মতো তেল দিতে হবে। তেল গরম হলে গোটা রসুন, লবঙ্গ, দারচিনি ফোড়ন দিতে হবে। এরপর একে একে কেটে রাখা বিনস, গাজর, ফুলকপি, বাঁধাকপি, টম্যাটো কুচি, লঙ্কা কুচি, পেঁয়াজ কুচি, পরিমাণ মতো লবণ, আর গোল মরিচ গুঁড়ো দিয়ে বেশ কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করতে হবে। এরপর এতে লঙ্কা গুড়ো আর ঝুড়ো করে ভেজে রাখা ডিম দিয়ে সামান্য একটু নাড়াচাড়া করে সেদ্ধ করে রাখা বাসমতী রাইস দিয়ে দিতে হবে। সমস্ত সব্জি আর রাইস ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। তৈরি এগ ফ্রায়েড রাইস।।

কিভাবে বানাবেন এগ ফ্রায়েড রাইস?


ডিমের পাতুরি

how-to-make-dimer-paturi-egg-recipe

উপকরণ:- ডিম ১টা, নারিকেল কুড়ানো ১ কাপ, পোস্ত ২ চামচ, কাজু বাদাম ৪-৫টা, কাঁচা লঙ্কা ১ টা, হলুদ গুঁড়ো ১ চামচ এর ৪ ভাগের ১ ভাগ, শুকনো কড়ায় ভেজে গুঁড়ো করা জিরে ১/২চামচ, গরম মশলা গুঁড়ো ১/২চামচ, বাঁধা কপি থেকে ৪-৫ টা পাতা ছাড়ানো, ঘি খুবই সামান্য,লবন, সরষের তেল।

আমার যত প্রিয় রেসিপিঃ


কিভাবে ডিমের পাতুরি বানাবেন?

প্রণালি :- প্রথমে গরম জলে ১ টা ১ টা করে বাঁধা কপির পাতা দিতে হবে আর তুলে নিতে হবে সাবধানে। আসলে বাঁধাকপির পাতা গুলো নরম করে নেওয়া, যাতে পাতা গুলো মোড়ার সময় ভালো ভাবে মোড়া যায়। গরম জল থেকে তোলার পর কিছুক্ষণ রেখে দিতে হবে। না হলে ভাজবার সময় তেলে দিলে তেল ছিটকাবে, তাই জলটা ভালোভাবে ঝরাটা খুবই দরকার। এরপর মিক্সিতে নারিকেল কোড়া, পোস্ত, কাজুবাদাম, কাঁচা লঙ্কা দিয়ে মিক্স করে নিতে হবে, জল না দিয়ে। মিক্সি থেকে বের করে হলুদ গুঁড়ো, জিরে গুঁড়ো, গরম মশলা গুঁড়ো, সরষের তেল ১চামচ, পরিমাণ মতো লবন আর ডিম দিয়ে ভালোভাবে মাখিয়ে নিতে হবে। এরপর বাঁধকপির পাতাগুলোতে সামান্য ঘি আর লবন মাখিয়ে এক সাথে মেখে রাখা ডিম নারিকেল প্রতিটাতে সামান্য সামান্য করে দিয়ে ভালো ভাবে মুড়ে দিতে হবে। এরপর কড়াতে সামান্য তেল দিয়ে গরম হতে দিতে হবে। তেল গরম হলে পুর দিয়ে মোড়া বাঁধাকপির পাতা গুলো দিতে হবে। তেল যদি ছিটকায় আবশ্যই ঢাকা দিতে হবে। বাঁধাকপির পাতা গুলো ভালোভাবে ২ পিঠ ভাজতে হবে। এমন ভাবে ভাজতে হবে যাতে বাঁধাকপির পাতা গুলোও খাওয়া যায়। তাই খেয়াল রাখতে হবে পাতা গুলো যেন বেশি পুড়ে না যায়। ভালোভাবে ভাজলেই ডিম জমাট বেঁধে যাবে। তৈরি ডিমের পাতুরি।

 চিঁড়ের মোয়া 

chirer-moya-laddu

উপকরণ:-

  • চিঁড়ে 2 কাপ,
  • গুড় ১কাপ,
  • চিনা বাদাম ১/২ কাপ,
  • ঘি ১চামচ,
  • সামান্য লবণ আর 
  • সরষের তেল।

আমার যত প্রিয় রেসিপিঃ 


কিভাবে বানাবেন চিঁড়ের মোয়া বা চিঁড়ের লাড্ডু?

প্রণালী:- কড়াই তে সামান্য লবন আর তেল দিয়ে চিনাবাদাম ভালো ভাবে ভেজে তুলে নিতে হবে। এরপর ১ চামচ ঘি দিয়ে ২ কাপ চিঁড়ে বেশ কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করার পর নামিয়ে নিতে হবে। চিনা বাদাম ঠাণ্ডা হলে খোসা ছাড়িয়ে ২ ভাগ করে নিতে হবে। এরপর কড়াই তে গুড় দিয়ে গরম করতে হবে। যদি পাটালী গুড় হয় তাহলে কড়াই তে ১ কাপ জল দিয়ে ১০০ গ্রাম এর মতো গুড় দিয়ে গরম করতে হবে। ৪ ভাগের ১ ভাগ হয়ে এলেই গুড়, ভেজে রাখা চিঁড়ে আর চিনা বাদাম দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। কিছুক্ষণ পর কড়াই থেকে গুড় মাখানো চিঁড়ে বাদাম একটি পাত্রে নামিয়ে নিতে হবে। গরম থাকতে থাকতেই হাতের সাহায্যে ছোট ছোটো মোয়া বানিয়ে নিতে হবে। খুব সহজেই তৈরি চিঁড়ের মোয়া।

ফুলকপির তরকারি বা ফুলকপি ডিমের ডানলাঃ 

Aalu-Gobi-Sabji-fulkopi-Potato-Cauliflower-Curry-torkari

উপকরণ :- বড় ফুলকপি থেকে ৬ টা বড় বড় ফুল ছাড়ানো, ছোটো সাইজের ৩ টে আলু ২ ভাগ করা, পেঁয়াজ কুচি ১/২ কাপ, টম্যাটো ছোট ছোট করে কাটা ১/২ কাপ, মাঝারি সাইজের ২ টো টম্যাটো ২ ভাগ করে কাটা, ধনেপাতা সামান্য, আদাবাটা ১/২ চামচ, রসুন বাটা ১/২ চামচ, পোস্ত বাটা ২ চামচ,হলুদ গুঁড়ো ১ চামচ, লঙ্কা গুঁড়ো ১ চামচ, কাশ্মীরি লঙ্কা গুঁড়ো ১/২ চামচ, গোটা কাঁচালঙ্কা ২ টি, গোটা শুকনো লঙ্কা ২ থেকে ৩টি, গোটা জিরে ১ চামচ, ৩ টে ডিম, সরষের তেল আর লবণ পরিমাণ মতো।

কিভাবে বানাবেন ফুলকপি ডিমের ডানলা বা ফুলকপির তরকারি?

প্রণালী :- প্রথমে একটি পাত্র তে সামান্য জল নিয়ে গ্যাস এ বসাতে হবে, পাত্রর তলাটা যেন চ্যাপ্টা হয়। ৩ টে ডিমের জন্য ৩ টি ছোট ছোট বাটি নিতে হবে। বাটি গুলোতে সামান্য করে সরষের তেল দিয়ে ভালো করে মাখিয়ে নিতে হবে। বাটির তলায় যেন একটু করে তেল থাকে। ওই তেলেই সামান্য লবণ দিয়ে ডিম ফাটিয়ে দিয়ে দিতে হবে আর ডিমের উপরেও সামান্য লবণ দিতে হবে, তবে পরিমান মতো। ডিমে বেশি লবণ দিলে খেতে ভালো লাগবেনা। তাই যতোটা পারবেন কম দেবেন।

এবার গরম জলে বাটি গুলো বসিয়ে দিতে হবে। আগেই দেখে নিতে হবে বাটির থেকে জলের লেবেল যেন কম থাকে আর বাটি গুলো যেন পাত্রের তলায় ঠেকে থাকে। গরম জল ফুটে উঠলে গ্যাস টা কমিয়ে দিতে হবে। না হলে ডিমে জল পড়ে যাবে। কিছু সময় পর দেখা যাবে বাটির নিচে থাকা সরষের তেল উপরে উঠে আসবে। গ্যাস আসতে জ্বলার জন্য ১০ থেকে ১৫ মিনিট রাখতে হবে। এরপর গরম জলের পাত্র টা নামিয়ে রাখতে হবে। ডিমের বাটি ঐ জলেই থাকবে। বাটির নিচের দিকের ডিম জমাট বেঁধে যাবে, কিন্তু ওপরটা ফুলকফির ঝোলে দিলেই হয়ে যাবে। ডিম নরম ই খেতে ভালো লাগবে।

লবণ আর হলুদ দিয়ে আলু সেদ্ধ করে নিতে হবে আর ফুলকপি সামান্য সেদ্ধ করে নিতে হবে। এরপর কড়াই এ ২ চামচ সরষের তেল দিয়ে গোটা জিরে, শুকনো লঙ্কা দিতে হবে। ভাজা হলে বাটিতে ঢেলে নিতে হবে। আবার কড়াই তে সামান্য তেল দিয়ে ফুলকপি আর আলু নেড়ে তুলে নিতে হবে।

এরপর কড়াই তে তেল দিয়ে পেঁয়াজ ও টম্যাটো কুচি আর হাফ করা টম্যাটো দিয়ে বেশ কিছুক্ষণ নাড়তে হবে। পেঁয়াজ ভাজা হয়ে এলে একে একে আদা বাটা, রসুন বাটা, পস্তো বাটা, লঙ্কাগুঁড়ো, কাশ্মীরী লঙ্কা গুঁড়ো, হলুদ গুঁড়ো, ধনেপাতা, কাঁচালঙ্কা দিয়ে মশলা কষতে হবে। মশলা কষা হয়ে এলে ফুলকপি আলু দিয়ে জল দিতে হবে। জল টা পুরোপুরি নির্ভর করবে ফুলকপি আর আলু সেদ্ধর ওপর। ফুলকপি বেশি সেদ্ধ হলে খেতে ভালো লাগবেনা। তাই দেখে জল দিতে হবে। পরিমান মতো লবন দিয়ে ফুলকপি আলুতে ঢাকা দিতে হবে। কিছুক্ষণ পর ঢাকা খুলে সাবধানে ডিম দিতে হবে। ডিম বেশিক্ষণ রাখার দরকার নেই, তা হলে শক্ত হয়ে যাবে। সামান্য ঝোল থাকলে গ্যাস বন্ধ করে ফুলকপির তরকারি তে তেল সহ ভেজে রাখা লঙ্কা জিরে দিয়ে দিতে হবে। তৈরি ফুলকপির তরকারি বা ফুলকপি ডিমের ডানলা।

MKRdezign

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget