Articles by "নিরামিষ রান্না"

নিরামিষ কাবাব রেসিপি


https://youtu.be/zEBuy5Q__p8


উপকরণ :- মটর ডাল ৫০ গ্রাম, ছোলার ডাল ৫০ গ্রাম, পরিমাণ মতো ব্যাসন, ১ টা বড়ো আলু সেদ্ধ, ১/২ ক্যাপসিকাম কুঁচি, ১ টা টম্যাটো কুঁচি, ধনেপাতা কুঁচি ২ টেবিল চামচ, ২ টো কাঁচালঙ্কা কুঁচি, চিনি সামান্য, লাগছে ভাজা মশলা ১/২ চামচ, এতে আছে গোটা জিরে, এলাচ, দারচিনি, লবঙ্গ, তেজপাতা আর শুকনো লঙ্কা। এই সব উপকরণ শুকনো কড়াতে ভেজে গুঁড়ো করে নিতে হবে। তাছাড়া আরও লাগছে আদা বাটা আধা চামচ, হলুদ গুঁড়ো সামান্য, লঙ্কা গুঁড়ো ১ চামচ এর ৪ ভাগের ১ ভাগ, নুন পরিমাণ মতো আর লাগছে ডুবো তেলে কাবাব ভাজবার জন্য তেল।

 কি ভাবে বানাবেন নিরামিষ কাবাব?



প্রণালি :- মটর ডাল আর ছোলার ডাল রাত্রে ভিজিয়ে রাখতে হবে। ছোলার ডাল আর মটর ডাল বেটে নিতে হবে। তবে যতোটা পারবেন কম জল দিয়ে বাটার চেস্টা করবেন।
এরপর সেদ্ধ আলুর খোসা ফেলে দিয়ে একটি পাত্রে নিতে হবে। আলু টা ভালোভাবে মেখে নিতে হবে। ওর মধ্যে এক এক করে দিতে হবে ক্যাপসিকাপ কুঁচি, টম্যাটো কুঁচি, ধনেপাতা কুঁচি, আদা বাটা, পরিমাণ মতো নুন, চিনি, লঙ্কা হলুদ গুঁড়ো, ভাজা মশলা গুঁড়ো, কাঁচালঙ্কা কুঁচি ( ঝাল বুঝে লঙ্কা কুঁচি দেবেন), আর দিতে হবে ব্যাসন। ব্যাসন পুরোপুরি নির্ভর করবে মটর ডাল আর ছোলার ডাল কতোটা জল দিয়ে বেটেছেন তার উপর।
হাত দিয়ে সব উপকরণ ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে।
এবার কাবাব বানানোর জন্য প্লেটে অল্প ব্যাসন ছড়িয়ে দিতে হবে।
এই মিশ্রন থেকে অল্প নিতে হবে। প্রথমে গোল করে চ্যাপ্টা করে নিতে হবে। এই ভাবে সব কাবাব বানিয়ে নিতে হবে।
কাবাব ভাজবার জন্য তেল তেল ভালোভাবে গরম করে নিতে হবে। গরম তেলে সাবধানে এক এক করে কাবাব দিয়ে দিতে হবে।
এটা ভাজতে হবে মাঝারি আঁচে। না হলে ভেতর টা ভালোভাবে ভাজা হবে না।
লাল করে কাবাব ভাজা হলে ভালোভাবে তেল ঝরিয়ে তুলে নিতে হবে। এই ভাবে সব কাবাব তুলে নিতে হবে।
তৈরি নিরামিষ কাবাব



আলু ফুলকপির বাটি চচ্চড়ি রেসিপি

 Aloo-Fulkopir-Bati-Chorchori-Bengali-Recipe

উপকরণ :- ফুলকপি, ২ টো বড়ো আলু, ১ টা বড়ো ক্যাপসিকাম এর আর্ধেক, ১ টা টম্যাটো, ৪ টে কাঁচালঙ্কা চেঁরা, কিছু মটর শুঁটি, হলুদ গুঁড়ো সামান্য, নুন পরিমাণ মতো আর লাগছে সরষের তেল ১ টেবিল চামচ।

কি ভাবে বানাবেন আলু ফুলকপির বাটি চচ্চড়ি?



প্রণালি :- আলু আর ফুলকপি ছোট ডুমো ডুমো করে কেটে নিতে হবে। আলু আর ফুলকপির পরিমাণ প্রায় সমান সমান নিতে হবে। আলু আর ফুলকপি কেটে ধুয়ে নিতে হবে।
ক্যাপসিকাম মাঝারি মাপ করে চৌক চৌক করে কেটে নিতে হবে।
টম্যাটো ৮ ভাগ করে নিতে হবে।
যে কড়াতে বাটি চচ্চড়ি বানাবেন, তাতে সব উপকরণ নিতে হবে। এক এক করে নিতে হবে আলু, ফুলকপি, ক্যাপসিকাম কুঁচি, টম্যাটো কুঁচি, কাঁচালঙ্কা চেঁরা, কাঁচালঙ্কা চেঁরা ঝাল বুঝে দেবেন, বেশিও দিতে পারেন বা কম। আসলে এই রান্নাতে লঙ্কার গুঁড়ো ব্যাবহার হবে না।
এরপর দিতে হবে মটর শুঁটি। আমি ফ্রোজেন মটর শুঁটি নিয়েছি, আপনারা চাইলে অবশ্যই টাটকা মটর শুঁটি দিয়ে এটা বানাতে পারেন।
এবার দিতে হবে পরিমাণ মতো নুন, হলুদ গুঁড়ো আর দিতে হবে সরষের তেল। তেল একটু বেশি লাগে কারণ এই রান্নাতে কোনো জল ব্যাবহার হবে না।
হাত দিয়ে সব উপকরণ ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে।
এবার এটা বসিয়ে দিতে হবে গ্যাস এ।
এরপর এটা ঢাকা দিয়ে হতে দিতে হবে ২০ মিনিট তবে মাঝারি আঁচে। মাঝে মাঝে ঢাকা খুলে সব উপকরণ নাড়াচাড়া করে আবার ঢাকা দিয়ে হতে দিতে হবে।
রান্নাটা হতে কতোক্ষন সময় নেবে সেটা পুরপুরি নির্ভর করবে আলু আর ফুলকপি কাটার ওপর। ছোট ছোট করে কাটলে কম সময় লাগবে আর একটু বড়ো বড়ো করে কাটলে সময় বেশি লাগবে।
২০ মিনিট পর ঢাকা খুলে নিতে হবে। আলু সেদ্ধ হয়েছে কিনা দেখে নিতে হবে। আলু সেদ্ধ হলেই তৈরি আলু ফুলকপির বাটি চচ্চড়ি।
এটা ভাত বা রুটির সাথে পরিবেশন করা যায়। যদি ভাতের সাথে পরিবেশন করেন অবশ্যই মুসুর ডাল বা মুগের ডাল এর সাথে পরিবেশন করবেন আলু ফুলকপির বাটি চচ্চড়ি

নিরামিষ শসার তরকারি 

Cucumber-curry-Niramish-Ranna


উপকরণ :- ৫০০ গ্রাম শসা, ভেজানো কাঁচা ছোলা, ২ টো কাঁচা লঙ্কা চেঁরা, তেজপাতা ১ টা, গোটা শুকনো লঙ্কা ২ টো, পাঁচ ফোড়ন সামান্য, সরষে বাটা ১/২ চামচ, আদা বাটা ১/২ চামচ, নুন পরিমাণ মতো আর লাগছে সাদা তেল ১ চামচ।

কি ভাবে বানাবেন নিরামিষ শসার তরকারি ?



প্রণালি :- প্রথমে শসার খোসা ফেলে দিয়ে সরু সরু করে কাটতে হবে। কাটার সময় একটু করে শসা খেয়ে দেখবেন, যদি তেতো হয় সেই শসাটা দেওয়ার দরকার নেই। আর এটা বানানোর চেষ্টা করবেন নরম শসা দিয়ে।
এরপর কড়া গরম করে তেল দিতে হবে। তেলের মধ্যে দিতে হবে তেজপাতা, গোটা শুকনো লঙ্কা আর পাঁচ ফোড়ন।
তেলে সামান্য ভাজার পর এক এক করে দিয়ে দিতে হবে নারকেল কোড়া, ভেজানো ছোলা, কাঁচা লঙ্কা চেঁরা, আদা বাটা আর হলুদ গুঁড়ো। তেলে সব উপকরণ ভালোভাবে ভেজে নিতে হবে। নারকেল ভাজা ভাজা হলে খেতে ভালো লাগে।
এরপর দিতে হবে সরষে বাটা, বেশি ভাজলে সরষে বাটা তেতো লাগতে পারে, তাই বেশি নাড়াচাড়া করবার দরকার নেই।
এর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে কুচানো শসা আর পরিমাণ মতো নুন।
আমি নিরামিষ তরকারি বানাচ্ছি, আপনারা এটা চিংড়ি মাছ দিয়েও এটা বানাতে পারেন। ভাজা চিংড়ি মাছ এ সময় দিয়ে দিতে পারেন।
এবার এটা হতে দিতে হবে ১৫ মিনিট, তবে মাঝারি আঁচে।
মাঝে মাঝে ঢাকা খুলে নাড়াচাড়া করে আবার ঢাকা দিয়ে হতে দিতে হবে।
শসা থেকে জল বের হয় তাই রান্নার সময় জল দেবেন না। শসার তরকারি শুকনো শুকনো হয়।
১৫ মিনিট পর নামিয়ে নিন শসার তরকারি

মাশরুম রেসিপিঃ চিলি মাশরুম

Chilli-Mushroom-Recipe-How-to-make-Chilli-Mushroom-restaurant-style-ingredients

উপকরণ :- মাশরুম ২০০ গ্রাম, শুকনো লঙ্কা গুঁড়ো ১ চামচ এর ৪ ভাগের ১ভাগ, গোল মরিচ গুঁড়ো সামান্য, লবণ পরিমান মতো, সাদা তেল, ১ টা বড়ো পেঁয়াজ কুঁচি, আদা রুসুন কুচি ১/২চামচ, ক্যাপসিকাম কুঁচি ১টা ক্যাপসিকাম এর ৪ ভাগের ১ ভাগ, ১ টা টম্যাটো কুঁচি, টম্যাটো ক্যাপসিকাম আর পেঁয়াজ ছোট চৌক চৌক করে কাটতে হবে, ১টা কাঁচালঙ্কা কুঁচি, ধনেপাতা কুঁচি ১ টেবিল চামচ, আদা রুসুন বাটা ৩ কোয়া রুসুন আর সামান্য আদা, কর্নফ্লাওয়ার ২ টেবিল চামচ, ময়দা ২ টেবিল চামচ, টম্যাটো ক্যাচাপ ৩ টেবিল চামচ, গ্রিন চিলি সস ১ টেবিল চামচ, সোয়া সস ২টেবিল চামচ আর রেড চিলি সস ১ চামচ।

Chilli-Mushroom-Recipe-How-to-make-Chilli-Mushroom-restaurant-style


আমার যত প্রিয় রেসিপিঃ


কিভাবে বানাবেন চিলি মাশরুম রেসিপি? 



প্রণালি :-
প্রথমে মাশরুম পরিমাণ মতো লবণ দিয়ে হাফ সেদ্ধ করে নিতে হবে। ছোট মাশরুম গোটা রাখতে হবে আর বড়ো মাশরুম দুভাগ করে নিতে হবে। এরপর চিলি মাশরুম বানানোর জন্য একটা ব্যাটার বানাতে হবে। তাই একটি পাত্রে নিতে হবে ময়দা, কর্নফ্লাওয়ার, পরিমাণ মতো লবণ, সামান্য লঙ্কা গুঁড়ো, আর আদা রুসুনের পেস্ট। কর্নফ্লাওয়ার সামান্য রেখে দিতে হবে। চিলি মাশরুমের গ্রেভি বানানোর জন্য। ময়দা কর্নফ্লাওয়ার এর সাথে সব উপকরণ ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। আর অল্প অল্প জল দিয়ে ব্যাটারটা গুলতে হবে। অল্প অল্প জল দেবার কারণ ব্যাটারটা যাতে খুব বেশি পাতলা বা ঘন না হয়। ব্যাটার গোলা হলে ওতে দিতে হবে সেদ্ধ করা সব মাশরুম। আর এটা ম্যারিনেট করে রেখে দিতে হবে ৫ মিনিট। ৫ মিনিট পর ম্যারিনেট করা মাশরুম ভাজার জন্য প্যান গরম করে একটু বেশি তেল দিতে হবে। তেল গরম হলে ম্যারিনেট করা মাশরুম এক এক করে দিতে হবে। আর খুন্তি দিয়ে বারবার নাড়তে হবে যাতে একটার সাথে আর একটা মাশরুম লেগে না যায়। সব মাশরুম উল্টে পাল্টে ভালোভাবে ভাজতে হবে। তবে বেশি লাল করে ভাজার দরকার নেই। মাশরুম ভাজা হয়ে গেলে তুলে নিতে হবে। এরপর কড়াই গরম করে ৩ চামচ তেল দিতে হবে। তেলে দিতে হবে আদ রুসুন কুঁচি। আদা রুসুন কুঁচি অল্প একটু ভেজে নিতে হবে। এরপরে দিতে হবে ক্যাপসিকাম কুঁচি। ক্যাপসিকাম তেলের সাথে সামান্য নেড়ে দিতে হবে পেঁয়াজ কুঁচি। পেঁয়াজ কুঁচি তেলের সাথে এক দুবার নেড়েচেড়েই দিতে হবে ট্যমাটো কুঁচি, কাঁচা লঙ্কা কুঁচি আর পরিমাণ মতো লবণ। এবার সব উপকরণ এক সাথে ভাজতে হবে। খুব বেশি ভাজার দরকার নেই। শুধু সব সব্জি সেঁতলে নিতে হবে। এটা পুরটাই বানাতে হবে আল্প আঁচে। যাতে সব সব্জির রং বজায় থাকে। এরপর দিতে হবে টম্যাটো ক্যাচাপ, গ্রিন চিলি সস, রেড চিলি সস আর সোয়া সস। সব উপকরণ ভালো ভাবে মিশিয়ে নিয়ে দিতে হবে ধনেপাতা কুঁচি আর ভেজে রাখা সব মাশরুম। মাশরুম আর গ্রেভি ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। এরপর ১/২ কাপ জল দিয়ে কর্নফ্লাওয়ার গুলে কড়াই দিয়ে দিতে হবে। যাতে গ্রেভিটা গাঢ় হয়। মাশরুম গ্রেভির সাথে হতে দিতে হবে ৫ মিনিট। ৫মিনিট পর দিতে হবে গোল মরিচ এর গুঁড়ো। মাশরুমের সাথে গোল মরিচের গুঁড়ো সামান্য মিশিয়ে নিতে হবে। তৈরি চিলি মাশরুম।

আলু পোস্ত বাংলা রেসিপি 

Aloo-Posto-Bengali-Recipe-Potato-with-Poppy-seeds-paste


উপকরণ :- ২ টো আলু মাঝারি মাপের টুকরো টুকরো করে কাটা, ১টা বড়ো পেঁয়াজ কুঁচানো, কাঁচালঙ্কা ৪টে দুটো চেঁরা আর দুটো গোটা, ১টা টম্যাটো ৪ ভাগ করা, পোস্ত বাটা ২টেবিল চামচ, সরষের তেল ৪ চামচ, লবণ পরিমান মতো, হলুদ গুঁড়ো ১/২ চামচ, ফোড়নের জন্য ১টা গোটা শুকনো লঙ্কা, তেজপাতা ১টা আর কালোজিরে সামান্য।

আমার যত প্রিয় রেসিপিঃ


কিভাবে বানাবেন আলু পোস্ত রেসিপি? 




প্রণালি :-
প্রথমে কড়াই গরম করে তেল দিতে হবে। তেলে ফোড়ন দিতে হবে তেজপাতা, শুকনো লঙ্কা আর কালোজিরে। সামান্য একটু নাড়াচাড়া করে নিতে হবে। ফোড়ন থেকে গন্ধ আসলেই দিয়ে দিতে হবে কেটে রাখা আলু। আলু হাফ ভাজা ভাজা হয়ে এলে ওতে দিয়ে দিতে হবে পেঁয়াজ কুচি আর চেঁরা কাঁচালঙ্কা। আমি এখানে ২টো কাঁচা লঙ্কা দিয়েছি আপনারা চাইলে বেশি দিতে পারেন। পেঁয়াজ আর আলু ভালোভাবে ভেজে নিতে হবে। আলু পেঁয়াজ ভালোভাবে ভাজা হয়ে গেলে দিতে হবে হলুদ গুঁড়ো, পোস্ত বাটা আর সামান্য জল। আলুর সাথে পোস্ত সামান্য নাড়াচাড়া করে নিতে হবে আর ওতে দিয়ে দিতে হবে টম্যাটো। পোস্ত বেশি ভাজবার দরকার নেই। এরপর দিতে হবে ২ কাপ এর মতো জল আর পরিমাণ মতো লবণ। এবার এটা ঢাকা দিয়ে রেখে দিতে হবে ১৫ মিনিট এর মতো। ১৫ মিনিট পর ঢাকা খুলে দিতে হবে সামান্য কাঁচা সরষের তেল আর গোটা কাঁচা লঙ্কা। গোটা কাঁচা লঙ্কা ব্যবহার করার কারণ আলু পোস্ত পরিবেশনের সময় দেখতে ভালো লাগার জন্য। কাঁচা সরষের তেল দিয়ে ২ মিনিট এর মতো হতে দিতে হবে। তৈরি বাঙালীর আলু পোস্ত।

মাশরুম রেসিপিঃ মাশরুম বাটার মশালা 


mushroom-butter-masala-curry-recipe-in-bengali


উপকরণ :-

  • মাশরুম ২০০ গ্রাম,
  • ২ টো বড়ো পেঁয়াজ কুচানো একটু মোটা করে,
  • চৌক চৌক করে কাটা বড়ো একটা ক্যাপসিকামপ,
  • টম্যাটো মাঝারি মাপের ২টো ডুমো ডুমো করে কাটা,
  • তেজপাতা ১ টা, কাজুবাদাম ১০ টা দুভাগ করা,
  • রুসুন স্লাইস করে কাটা ৪ কোয়া,
  • স্লাইস করে কাটা কাঁচালঙ্কা ২টো,
  • গোল মরিচ গুঁড়ো ১/২ চামচ,
  • গরম মশলা গুঁড়ো১/২ চামচ,
  • গোটা জিরে ১ চামচ,
  • কসৌরি মেথি সামান্য,
  • এলাচ ২টো, লবঙ্গ ৪টে,
  • দারচিনি ১ টা,
  • ধনেপাতা কুচি প্রায় ৪চামচ,
  • সাদা তেল ২ চামচ,
  • আদার পেস্ট ১চামচ,
  • টম্যাটো সস ২চামচ,
  • বাটার ১/২ চামচ,
  • হলুদ গুঁড়ো ১ চামচ,
  •  লঙ্কা গুঁড়ো১/২চামচ
  • পরিমান মতো লবণ।

আমার যত প্রিয় রেসিপিঃ


কিভাবে বানাবেন মাশরুম বাটার মশালা? 



প্রণালি :-
প্রথমে মাশরুম গুলো জল দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। আর মশরুমের উপর যে পাদলা আস্তরণ থাকে সেটা ফেলে দিতে হবে। মাঝারি মাপের মাশরুম হলে ৬ ভাগ করে নিতে হবে। আর যদি ছোট ছোট মাশরুম হয় ৪ ভাগ করে নিতে হবে। এরপর কড়াই গরম হলে ২ চামচ এর মতো তেল দিতে হবে। এতে ফোড়ন দিতে হবে এলাচ, লবঙ্গ আর দারচিনি। একটু নাড়াচাড়া করেই দিতে হবে গোটা জিরে আর রসুন কুচি। সামান্য নাড়াচাড়া করে দিয়ে দিতে হবে পেঁয়াজ কুঁচানো। পেঁয়াজ গুলো একটু মোটা মোটা করে কাটতে হবে। পেঁয়াজ হালকা ভাজা হলে দিতে হবে আদার পেস্ট। আদা সামান্য তেলের সাথে নেড়ে দিতে হবে ক্যাপসিকাম কুঁচি,টম্যাটো কুঁচি,হলুদ গুঁড়ো আর লঙ্কা গুঁড়ো। আপনারা চাইলে কম লঙ্কা গুঁড়ো দিতে পারেন। কারণ এখানে কাঁচালঙ্কা আর গোল মরিচ এর গুঁড়োও ব্যাবহার হবে। এবার দিতে হবে পরিমাণ মতো লবণ। সব একসাথে নাড়াচাড়া করে ঢাকা দিয়ে রেখে দিতে হবে ৪ মিনিট এর মতো। ৪ মিনিট পর দিতে হবে কেটে রাখা সব মাশরুম, গরম মশলা গুঁড়ো,টম্যাটো সস, গোল মরিচ গুঁড়ো,কাঁচা লঙ্কা কুঁচি আর কাজুবাদাম। সব এক সাথে ভালোভাবে নাড়াচাড়া করে ঢাকা দিয়ে রেখে দিতে হবে ১০ মিনিট এর মতো মাঝারি আঁচে। ১০ মিনিট পর নাড়াচাড়া করে আবার এটাকে ঢাকা দিয়ে রেখে দিতে হবে প্রায় ১০ মিনিট এর মতো। ১০ মিনিট পর এতে দিতে হবে ধনেপাতা কুঁচি। মাশরুম বাটার মশালা বানাতে ধনে গুঁড়ো না ব্যাবহার করলে ধনেপাতা একটু বেশি দিতে হবে। আপনারা চাইলে সামান্য ধনেগুঁড়ো দিতে পারেন। এরপরে দিতে হবে বাটার আর কসৌরি মেথি। সব উপকরণ একসাথে ১ মিনিট এর মতো নাড়াচাড়া করে নামিয়ে নিতে হবে। তৈরি মাশরুম বাটার মশালা।


পটলের রেসিপিঃ আলু পটলের ডানলা


alu-potoler-dalna-bengali-recipe

উপকরণ :-

  • পটল ২৫০ গ্রাম,
  • ১ টা বড়ো আলু,
  • ২ টো বড়ো পেঁয়াজ কুঁচানো,
  • ডুমো ডুমো করে করে কাটা টম্যাটো ২টো,
  • ধনেপাতা কুঁচি, লঙ্কা গুঁড়ো ১ চামচ,
  • লবণ পরিমাণ মতো,
  • ফোড়নের জন্য এলাচ ৩টে,
  • লবঙ্গ ৫টা, দারচিনি ১টা,
  • ঘি ১ চামচ,
  • হলুদ গুঁড়ো ১ চামচ,
  • সাদা তেল ২ টেবিল চামচ
  • আদা রুসুনের পেস্ট ১ চামচ।

আমার যত প্রিয় রেসিপিঃ


কিভাবে বানাবেন আলু পটলের ডানলা? 



প্রণালি :-
প্রথমে পটল গুলো জল দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। ছুরি দিয়ে পটলের ২ ধার কেটে নিতে হবে আর মাঝে মাঝে খোসা ফেলে দিতে হবে। এরপর পটল গুলো ২ ভাগ করে নিতে হবে। বড়ো পটল হলে ৩ ভাগ ও করে নিতে পারেন। আলুটাকে ডুমো ডুমো করে কেটে সেদ্ধ করে নিতে হবে। কড়াই গরম হলে তেল দিতে হবে ২ টেবিল চামচ। এই তেলেই পুরো রান্না তৈরি হবে। প্রথমে পটল গুলো ভালো ভাবে ভেজে তুলে নিতে হবে। সেদ্ধ আলু গুলোও ভালো করে ভেজে নিতে হবে। ওই তেলেই ফোড়ন দিতে হবে দারচিনি, লবঙ্গ আর এলাচ। ফোড়ন থেকে গন্ধ বেরলেই দিতে হবে পেঁয়াজ কুঁচি। পেঁয়াজ হাফ ভাজা হলে দিতে হবে আদা রুসুনের পেস্ট, হলুদ গুঁড়ো আর লঙ্কা গুঁড়ো। আদা রুসুন দেবার পর বেশ কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করতে হবে। না হলে আদা রুসুনের যে কাঁচা গন্ধ সেটা থেকে যাবে। এরপর দিতে হবে টম্যাটোর টুকরো গুলো। টম্যাটো সামান্য নাড়াচাড়া করেই দিয়ে দিতে হবে ভেজে রাখা আলু পটল আর পরিমাণ মতো লবণ। আলু পটল মশলার সাথে সামান্য নাড়াচাড়া করে নিয়ে দিতে হবে ১ কাপ জল। এরপর এটাকে ঢাকা দিয়ে রেখে রেখে দিতে হবে মাঝারি আঁচে ৫ মিনিট। নামানোর আগে দিতে হবে ঘি আর ধনেপাতা কুঁচি। তৈরি আলু পটলের ডানলা।

দই বেগুন রেসিপিঃ

doi-begun-eggplant-yogurt-bengali-recipe

উপকরণ :-

  • বেগুন ২৫০গ্রাম মাঝারি মাপের লম্বা লম্বা,
  • পেঁয়াজ এর পেস্ট ১ কাপ,
  • টক দই ১ কাপ,
  • আদা রসুন এর পেস্ট ১ চামচ,
  • দারচিনি ১ টা,
  • লবঙ্গ ৪ টে,
  • এলাচ ৩ টে,
  • কালোজিরে সামান্য,
  • লবণ পরিমাণ মতো,
  • হলুদ গুঁড়ো ১ চামচ,
  • ধনেগুঁড়ো ১ চামচ,
  • জিরেগুঁড়ো ১ চামচ,
  • গরম মশলা গুঁড়ো ১ চামচ,
  • লঙ্কা গুঁড়ো ১ চামচ আর তেল।

আমার যত প্রিয় রেসিপিঃ 

কিভাবে বানাবেন দই বেগুন রেসিপি?



প্রণালি :-

প্রথমে জল দিয়ে বেগুন গুলো ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে। বেগুন এর বোঁটা সমেত আমি দই বেগুন বানাবো তাই বেগুন এর সামান্য বোঁটা রেখে বাকিটা কেটে ফেলে দিতে হবে আর বোঁটার সামনে যে ৩-৪ টে পাপড়ি থাকে সেগুলো কেটে ফেলে দিতে হবে। এই ভাবেই সব বেগুন পরিস্কার করে কেটে নিতে হবে। এরপর ছুরি দিয়ে ১ বার বেগুনের মাঝামাঝি উপর থেকে নীচ চিঁড়ে নিতে হবে। যাতে বেগুনের ভেতরে মশলা মাখানো যায়।কিন্তু খেয়াল রাখতে হবে বেগুন যেন ২ ভাগ না হয়ে যায়। এই ভাবেই সব বেগুন কেটে নিতে হবে। এবার একটি পাত্রে গরম মশলা গুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো, জিরে গুঁড়ো, সামান্য হলুদ গুঁড়ো, সামান্য লঙ্কা গুঁড়ো আর পরিমাণ মতো লবণ দিয়ে সব একসাথে ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। এবার এই মিশ্রিত মশলা থেকে অল্প অল্প করে নিয়ে সব বেগুনের ভেতরে মাখিয়ে নিতে হবে। আর বাকি মশলা গ্রেভি বানানোর সময় ব্যাবহার হবে। কড়াই এর তেল গরম হলে মশলা মাখানো বেগুন দিয়ে দিতে হবে। বেগুন ভাজার জন্য একটু বেশি তেল দিতে হবে। বেশ কিছুক্ষণ ধরে উল্টে পাল্টে সব বেগুন গুলো ভলো করে ভেজে তুলে রেখে দিতে হবে। এরপর ওই তেলেই ফোড়ন দিতে হবে এলাচ,লবঙ্গ, দারচিনি। একটু নাড়াচাড়া করে কালোজিরে দিয়ে দিতে হবে। ফোড়ন থেকে গন্ধ বেড়লেই ওতে দিয়ে দিতে হবে পেঁয়াজ এর পেস্ট। বেশ কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করতে হবে। পেঁয়াজ ভালোভাবে ভাজা না হলে পেঁয়াজ এর কাঁচা গন্ধটা থেকে যাবে আর দই বেগুন খেতে ভালো লাগবেনা। পেঁয়াজ ভাজা হয়ে গেলে ওতে দিতে হবে হলুদ গুঁড়ো, লঙ্কা গুঁড়ো আর আদা রুসুনের পেস্ট। আদা রুসুনের পেস্ট দেবার পর আবার বেশ কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া কড়তে হবে। এরপরে দিতে হবে মেশানো মশলা ধনে,জিরে,গরম মশলা থেকে ১ চামচ। আর দিতে হবে টক দই। টক দই দেবার আগে দই টা ভালোভাবে ফেটিয়ে নিতে হবে। এবার দিতে হবে পরিমান মতো লবন। কিছুক্ষণ নাড়াচাড়ার পরে দিতে হবে ১ বাটি জল। গ্রেভি ফুটে উঠলেই ভেজে রাখা সব বেগুন দিয়ে দিতে হবে। ৫ মিনিট এর মতো রেখে দিতে হবে আঁচ কমিয়ে আর মাঝে বেগুন উল্টে দিতে হবে। গ্রেভি আর বেগুন মাখামাখি হয়ে গেলেই নামিয়ে নিতে হবে। তৈরি দই বেগুন।


দই পটল রেসিপিঃ

dahi-potolparwal-recipe-totanas-recipe

 

উপকরন :-
পটল ২৫০গ্রাম বড়ো সাইজ এর, দই ১/২ কাপ, পেঁয়াজ এর পেস্ট ১/২ কাপ, আদা রসুন এর পেস্ট ১চামচ, গোটা গরম মশলা, সামান্য হলুদ গুঁড়ো, লঙ্কা গুঁড়ো ১ চামচ, লবণ, সামান্য চিনি, আর তেল।

আমার যত প্রিয় রেসিপিঃ




কিভাবে বানাবেন দই পটল রেসিপি?

প্রণালি :-
প্রথমে পটল গুলো জল দিয়ে ভালো ভাবে ধুয়ে নিতে হবে। এরপর ছুরি দিয়ে পটলের ২ ধার কাটতে হবে। ছোলার দিয়ে মাঝে মাঝে পটলের খোসা ফেলে দিতে হবে ৩-৪ বার। এরপর ছুরি দিয়ে পটলের মাঝ বরাবর চিঁড়তে হবে ৩-৪ বার যেখানে পটলের খোসা ছাড়ানো। সাবধানে পটল গুলো চিঁরতে হবে। যেন পটল গুলো লম্বা লম্বি চিঁরে না যায়। পটল গুলো লম্বা লম্বি চিঁরে গেলে ভাজবার সময় গোটা থাকবেনা। পটল গোটা থাকলে দেখতে ভালো লাগবে। আর পটল মাঝে মাঝে চেঁরার কারন দই পটল বানালে ওর গ্রেভি পটলের ভেতর ঢোকবে আর পটল খেতে বেশি ভালো লাগবে। এইভাবেই সব পটল কাটতে হবে। কাটা পটলে পরিমাণ মতো লবন, আর সামান্য হলুদ দিয়ে ভালোভাবে মাখিয়ে নিতে হবে। এবার পটল ভাজার পালা তাই কড়াই গরম করে তেল দিতে হবে। গোটা পটল ভাজা হবে তাই একটু বেশি তেল দিতে হবে। তেল গরম হলে লবন, হলুদ মাখানো পটল দিয়ে দিতে হবে। পটল একটু লালচে করেই ভাজতে হবে কারণ দই পটলের গ্রেভি বানানোর জন্য কোনো বাড়তি জল ব্যাবহার হবে না। পটল ভাজা হলে তুলে রেখে দিতে হবে। এরপর গরম তেলে গোটা গরম মশলা ফোড়ন দিতে হবে। তেল থেকে গরম মশলার গন্ধ বের হলেই ওতে দিতে হবে পেঁয়াজ এর পেস্ট। বেশ কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করতে হবে, না হলে পেঁয়াজ এর যে কাঁচা গন্ধ সেটা থেকে যাবে। এরপর দিতে হবে আদা রসুনের পেস্ট। প্রায় ১ মিনিট এর মতো নাড়াচাড়া করতে হবে। এবার লঙ্কা গুঁড়ো। লঙ্কা গুঁড়ো নিজের মতো করে দিতে পারেন, বেশি বা কম। গ্রেভির রঙ আর স্বাদের জন্য দিতে হবে সামান্য চিনি। এরপর দিতে হবে পরিমাণ মতো লবণ। রান্নায় দেবার আগে টক দই টাকে ভালোভাবে ফেটিয়ে নিতে হবে। এবার কড়াই দিতে হবে টক দই। টক দই দিয়ে সামান্য নাড়াচাড়া করতে হবে। গ্রেভি তৈরি। এরপর ভেজে রাখা সব পটল গ্রেভির মধ্যে দিয়ে দিতে হবে। গ্যাস এর আঁচ কমিয়ে ২-৩ মিনিট রেখে দিতে হবে। আর বারবার হাতা দিয়ে পটল গুলো নাড়াচাড়া করতে হবে। তবেই পটলের ভেতর গ্রেভি ভালোভাবে ঢোকবে। আর পটল গুলো খেতে ভালো লাগবে। পটল আর গ্রেভি মাখামাখা হয়ে গেলেই তৈরি দই পটল।



 নিরামিষ গোটা আলুর দম

veg-potato-curry-niramish-gota-alur-dom

উপকরণ :- ছোট ছোট গোটা আলু ৫০০ গ্রাম, টম্যাটো ডুমো ডুমো করে কাটা ১ বাটি, টম্যাটো পেস্ট ১ চামচ, ধনেপাতার পেস্ট ১ চামচ, আদা বাটা ১ চামচ, দই ২ চামচ, লঙ্কা গুঁড়ো ২ চামচ, কাশ্মীরি লঙ্কার গুঁড়ো ১/২ চামচ,হলুদ গুঁড়ো ১চামচ, ধনেগুঁড়ো ১চামচ, জিরে গুঁড়ো ১চামচ, ঘি ১চামচ, গোটা তেজপাতা ২টি, গোটা শুকনো লঙ্কা ২টি, লবঙ্গ ৩ টি, এলাচ ৩ টি, দারচিনি বড়ো ১টি, পরিমাণ মতো লবণ আর সাদা তেল বা সরষের তেল।


আমার যত প্রিয় রেসিপিঃ

কিভাবে বানাবেন নিরামিষ গোটা আলুর দম?

প্রণালি :- গোটা আলু গুলো খোসা না ছাড়িয়ে জল দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। কুকারে জল আর পরিমাণ মতো লবণ দিয়ে আলু সেদ্ধ করে নিতে হবে। ৩ থেকে ৪ টে সিটি দিলেই নামিয়ে নিতে হবে। কড়াই তে সেদ্ধ করলে একটু বেশি সময় লাগবে। ঠান্ডা হলে খোসা ছাড়িয়ে নিতে হবে। এরপর কড়াই তে সামান্য তেল দিয়ে খোসা ছাড়ানো আলু ভালো ভাবে ভেজে নামিয়ে নিতে হবে। আলু নামিয়ে নেওয়ার পর কড়াই তে আবার তেল দিতে হবে। তেল গরম হলে একে একে তেজপাতা, শুকনো লঙ্কা, লবঙ্গ , এলাচ, দারচিনি দেবার পর ডুমো ডুমো করে কাটা টমাট্যো দিয়ে ২থেকে ৩ বার এদিক ওদিক নাড়াচাড়া করার পর আদা বাটা, টমাট্যো পেস্ট, ধনেপাতার পেস্ট, লঙ্কা গুঁড়ো, হলুদ গুঁড়ো, কাশ্মীরি লঙ্কার গুঁড়ো, জিরে গুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো আর দই দিয়ে বেশ কিছুক্ষণ নাড়ার পর ভেজে রাখা আলু সব দিয়ে দিতে হবে। আলু আর মশলা ভালোভাবে মিশে গেলেই জল দিতে হবে। আলু আগেই সেদ্ধ ছিল তাই বেশি জল দেবার দরকার নেই। জল পুরটাই নির্ভর করবে আলু সেদ্ধর ওপর। গোটা আলু গুলো ছোটোও হতে পারে আবার একটু বড়োও হতে পারে। আলুতে জল দেবার পর পরিমান মতো লবণ দিয়ে ঢাকা দিতে হবে। আলু সেদ্ধর সময় লবন দেওয়া ছিলো। তাই লবন টা পরিমান মতো। কিছুক্ষণ পর ঘি দিয়ে নামিয়ে নিতে হবে নিরামিষ গোটা আলুর দম।


MKRdezign

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget