Articles by "ডিম পর্ব"

ডিমের কুসুমের কোরমা রেসিপি

Egg-korma-Egg-masala-recipe

উপকরণ :- ডিম ৬ টা, দু'টো পেঁয়াজ কুঁচি, নাড়কেল বাটা ২ টেবিল চামচ, জিরে গুঁড়ো ১ চামচ এর ৪ ভাগের ১ ভাগ, ধনে গুঁড়ো ১ চামচ এর ৪ ভাগের ১ ভাগ, ১ টা বড়ো টম্যাটো সেদ্ধ করে বীজ আর খোসা ফেলে বেটে নিতে হবে, ৩ টি কাঁচা লঙ্কা বাটা, আদা-রুসুন বাটা ১/২ চামচ, কিশমিশ বাটা ১ টেবিল চামচ, কাজু বাদাম বাটা ১ টেবিল চামচ, হলুদ গুঁড়ো ১ চামচ এর ৪ ভাগের ১ ভাগ, লঙ্কা গুঁড়ো ১ চামচ এর ৪ ভাগের ১ ভাগ, এলাচ ৩ টি, লবঙ্গ ৪ টি, দারচিনি ১ টুকরো, গোল মরিচ ৪ টি, নারকেলের দুধ প্রায় ২ কাপ, ঘি ১/২ চামচ আর লাগছে সাদা তেল।


 কি ভাবে বানাবেন ডিমের  কোরমা ?


প্রণালি :- ডিমের কুসুম ডুবো তেলে ভাজবার জন্য তেল গরম হতে দিতে হবে।
এরপর একটি পাত্রে ডিম ফাটিয়ে নিতে হবে। সব ডিম এক সাথে না ফাটিয়ে একটা একটা করে ডিম ফাটাতে হবে। একটা ডিম ফাটানোর পর একটি বড়ো চামচ দিয়ে সাবধানে ডিমের কুসুমটা তুলে নিতে হবে, সাদা আংশ নিলে হবে না।
ডিমের কুসুম টা দিয়ে দিতে হবে তেলে। প্রথমে তেল গরম করে নেবেন, কিন্তু ডিমের কুসুম দেবার সময় আঁচ কমিয়ে দেবেন। এক এক করে বাকী ডিম ফাটিয়ে ডিমের কুসুম তেলে দিয়ে দিতে হবে।
একপিঠ হয়ে গেলে উল্টে দিতে হবে। ডিমের কুসুম ভাজা হলে তুলে নিতে হবে।
ডিমের কুসুমের কোরমা বানানোর জন্য কড়া গরম করে তেল দিতে হবে। তেলের মধ্যে দিতে হবে এলাচ, লবঙ্গ, দারচিনি আর গোল মরিচ। তেলে সামান্য ভেজে নিয়ে দিয়ে দিতে হবে পেঁয়াজ বাটা, আর নুন। এ সময় নুন দিলে তেল ছিটকাবে না। তেলে ভালোভাবে পেঁয়াজ বাটা ভাজতে হবে। যে কোনো রান্নাতেই ভালোভাবে ভাজবেন, যেন পেঁয়াজ এর কাঁচা গন্ধটা চলে যায়।
ভাজা পেঁয়াজ এর মধ্যে এক এক করে দিয়ে দিতে হবে কাঁচা লঙ্কা বাটা, আদা-রুসুন বাটা, হলুদ-লঙ্কা গুঁড়ো, ধনে-জিরে গুঁড়ো আর নারকেল বাটা।
সব উপকরণ তেল ভেজে নিতে হবে। কাঁচা লঙ্কা বাটা আর লঙ্কা গুঁড়ো দেখে দেবেন। আপনারা চাইলে কম বা বেশি দিতে পারেন।
নারকেল বাটা ভাজা ভাজা হলে খেতে ভালো লাগে।
এরপর দিতে হবে সেদ্ধ করা টম্যাটো বাটা, কাজুবাদাম বাটা আর কিশমিশ বাটা।
সব উপকরণ ভেজে নিয়ে দিয়ে দিতে হবে নারকেলের দুধ।
পেঁয়াজ ভাজবার সময় নুন দিয়েছিলাম, তাই আর নুন দিচ্ছি না। যদি মনে হয় আরও নুন লাগবে তা হলে আপনারা এ সময় নুন দিতে পারেন।
ঝোল ফুটে উঠলে দিয়ে দিতে হবে ভাজা ডিমের কুসুম। আঁচ কমিয়ে হতে দিতে হবে ১০ মিনিট। না হলে গ্রেভি গাঢ় ছিটকাবে। মাঝে একবার ডিমের কুসুম গুলো উল্টে দিতে হবে।
নামানোর আগে দিতে হবে ঘি।
মিশিয়ে নিলেই তৈরি ডিমের কুসুমের কোরমা

তড়কা রেসিপি - ধাবা স্টাইল ডিম তড়কা রেসিপি

তড়কা ডাল নানান ভাবে বানানো হয়, তবে আমি দেখাবো ধাবা স্টাইল ডিম তড়কা রেসিপি। কারন এটি খুব টেষ্টি হয়। আপনি ডিম ছাড়াও বানাতে পারেন। চলুন দেখে নিই কিভাবে ধাবা স্টাইল ডিম তড়কা রেসিপি?

উপকরণ :- সবুজ মুগ ডাল ১ কাপ( সারা রাত ভিজিয়ে রেখেছিলাম), ডিম ২ টো, ১ টা বড়ো পেঁয়াজ কুঁচি, ২ টো কাঁচা লঙ্কা, ধনেপাতা কুঁচি ১ চামচ, আদা-রুসুন কুঁচি ১ চামচ, গরম মশলা গুঁড়ো সামান্য, জিরে গুঁড়ো ১/২ চামচ, হলুদ গুঁড়ো সামান্য, লঙ্কা গুঁড়ো ১/২ চামচ, নুন পরিমাণ মতো, লেবুর রস ১/২ চামচ, তেল ২ চামচ আর লাগছে ঘি ১/২ চামচ।





প্রণালি :- প্রথমে ডাল সেদ্ধ করে নিতে হবে তাই কুকারে ডাল, সামান্য নুন আর জল দিয়ে ৩ টে সিটি দিয়ে নিতে হবে। ডাল যেনো ডুবে থাকে সেই মতো জল দেবেন।
এরপর ডিম ভাজবার জন্য কড়া গরম করে তেল দিতে হবে। গরম তেলে ২ টো ডিম ফাটিয়ে দিয়ে দিতে হবে আর দিতে হবে সামান্য নুন। ডিমের ঝুরো রানাতে হবে। ডিম খুব বেশি লাল করে ভাজবার দরকার নেই। ভাজা ডিম তুলে নিতে হবে।
কড়াতে আবার তেল দিতে হবে। তেলের মধ্যে দিয়ে দিতে হবে পেঁয়াজ কুঁচি। পেঁয়াজ ভালোভাবে ভাজতে হবে।
পেঁয়াজ ভাজা থেকে অর্ধেক তুলে রাখতে হবে, আর কড়াতে যে অর্ধেক পেঁয়াজ ভাজা থাকবে তার মধ্যে দিতে হবে আদা-রুসুন কুঁচি। আদা - রুসুন খুব সরু সরু করে কাটবেন। তেলে ভেজে নিতে হবে।
এরপর এক এক করে দিয়ে দিতে হবে হলুদ-লঙ্কা গুঁড়ো, টম্যাটো কুঁচি আর সামান্য নুন( ডাল সেদ্ধ করার সময় নুন দেওয়া ছিলো তাই নুন দেখে দিতে হবে)। এ সময় নুন দিলে টম্যাটো তাড়াতাড়ি সেদ্ধ হয়ে যায়। টম্যাটো যতোক্ষন না সেদ্ধ হয় এটা হতে দিতে হবে।
টম্যাটো সেদ্ধ হলে ওর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে সেদ্ধ করা ডাল আর দিতে হবে সামান্য জল কারন মশলার সাথে ৫ মিনিট হতে দেবো।
এরপর দিতে হবে গরম মশলা গুঁড়ো, কাঁচা লঙ্কা কুঁচি আর রোস্টেড জিরে গুঁড়ো। আগে থেকে বানানো রোস্টেড জিরে গুঁড়ো ব্যবহার না করে যখন তড়কা বানাবেন তার আগে বানানোর চেস্টা করবেন এতে গন্ধ টা ভালো আসে।
এরপর এটা হতে দিতে হবে ৫ মিনিট।
নামানোর আগে দিতে হবে ভাজা ডিম, ভাজা পেঁয়াজ, ধনেপাতা কুঁচি, লেবুর রস আর ঘি। মিশিয়ে নিলেই তৈরি ডাল তড়কা


ডিমের কোরমা খুব সহজ অসাধারন একটি রেসিপি 

Dimer-korma-recipe-Egg-korma-recipe

উপকরণ :- সেদ্ধ ডিম ৫টা, ঘি ১ টেবিল চামচ, সামান্য কাশ্মীরি লঙ্কার গুঁড়ো আর হলুদ গুঁড়ো, তেজপাতা ১টা, এলাচ ২টো, দারচিনি ১টা, গরম মশলা ১ চামচ এর ৪ ভাগের ১ ভাগ, লবণ পরিমাণ মতো, টক দই ১/২ কাপ, নারকেলের দুধ, আদা রুসুনের পেস্ট ১ চামচ, চিনি ১/২ চামচ, কাঁচালঙ্কা কুঁচি, ২ টো গোটা কাঁচালঙ্কা, সাদা তেল ২ চামচ, গোটা জিরে ১/২ চামচ, গোটা ধনে ১/২ চামচ, কাজুবাদাম ৫টা আর লাগছে ২টো মাঝারি মাপের পেঁয়াজ কুঁচি।


প্রণালি :- ডিমের কোরমার গ্রেভি বানানোর জন্য প্যান গরম করে তেল দিতে হবে ২ চামচ। তেলে দিতে হবে গোটা জিরে আর গোটা ধনে। জিরে আর ধনে সামান্য ভাজা হলে দিয়ে দিতে হবে পেঁয়াজ কুঁচি আর কাঁচালঙ্কা কুঁচি। আমি এখানে ২ টো কাঁচালঙ্কা কুঁচি নিয়েছি। আপনারা চাইলে কম বা বেশি দিতে পারেন। পেঁয়াজ আর কাঁচালঙ্কা ভালোকরে ভাজতে হবে। যতো ভালো করে ভাজবেন গ্রেভি তত খেতে ভালো হবে। পেঁয়াজ ভাজার পর ওতে দিতে হবে আদা রুসুনের পেস্ট, কাশ্মীরি লঙ্কার গুঁড়ো আর হলুদ গুঁড়ো। হলুদ আর লঙ্কার গুঁড়ো সামান্যই দিতে হবে গ্রেভির হলকা রঙ এর জন্য। আদা রুসুন পেঁয়াজ এর সাথে ভেজে নিতে হবে। যেনো আদা রুসুনের কাঁচা গন্ধ চলে যায়। এরপর দিতে হবে টক দই। পেঁয়াজ এর সাথে টক দই নাড়তে হবে যতোক্ষণ না মশলা থেকে তেল ছেড়ে যায়। এরপর এই সব মশলা একসাথে পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে। ডিম গুলো ছুরি দিয়ে মাঝে মাঝে চিঁরে দিতে হবে যাতে গ্রেভি ডিমের ভেতর ঢোকে। ডিমের কোরমা বানানোর জন্য কড়াই গরম করে ঘি দিতে হবে। ঘি এ ফোড়ন দিতে হবে তেজপাতা, এলাচ আর দারচিনি। ফোড়ন থেকে গন্ধ আসলেই ডিম গুলো দিয়ে দিতে হবে। কোরমার ডিম সামান্য ভাজতে হয়। ডিম সামান্য ভাজা হলে ওতে দিয়ে দিতে হবে পেঁয়াজ আর মশলার পেস্ট, নারকেলের দুধ ও দিয়ে দিতে হব। নারকেলের দুধ আমি বানিয়েছি ১/২ নারকেল আর ২ কাপ জল দিয়ে। আর দিতে হবে গোটা কাঁচালঙ্কা, চিনি আর পরিমাণ মতো লবণ। ডিমের সাথে গ্রেভি নাড়াচাড়া করে ঢাকা দিয়ে হতে দিতে হবে মাঝারি আঁচে ১০ মিনিট। ১০ মিনিট পর গরম মশলা গুঁড়ো আর সামান্য ঘি। গ্রেভির সাথে ১ মিনিট হতে দিতে হবে। তৈরি ডিমের কোরমা।

এগ রোল বা ক্যাপসিকাম রোল:

Egg Roll খেতে আমরা সবাই ভালবাসি। বাঙ্গালীর বিকালের খাবারে Egg Roll এক কথায় অসাধারন। Roll নানা ধরনের হয় যেমন Veg Roll, Egg roll, Chicken Egg Roll ইত্যাদি। আজকে আমি দেখাবো একটা অন্য ধরনের রোল, যাকে আপনি বলতে পারেন ক্যাপসিকাম Egg Roll.  এটি খেতে সত্যি অসাধারন। একবার try করে দেখতে পারেন। আমি মনে করি এই রেসিপি টি আপনাদের ভালো লাগবেই। 

how-to-make-egg-roll-at-home

উপকরণ :-
ময়দা ১ কাপ, ডিম ২ টো, চিনি ১ চামচ, গ্রেড করে কাটা গাজর ১ টা, গ্রেড করে কাটা বিট ১ টা, বড়ো ক্যাপসিকাম ১ টা ২ ভাগ করে নিতে হবে, পরিমাণ মতো লবণ, তেল, পেঁয়াজ কুচি ১ টা আর কাঁচালঙ্কা কুচি।



আমার যত প্রিয় রেসিপিঃ 


কিভাবে বানাবেন এগ রোল বা ক্যাপসিকাম রোল রেসিপি? 

প্রণালি :-
প্রথমে ময়দা মাখাতে হবে। ময়দাতে চিনি আর পরিমান মতো লবন দিয়ে মিশিয়ে নিতে হবে। ওতে দিতে হবে ২ চামচ তেল। তেল আর ময়দা ভালোভাবে মিশিয়ে নিয়ে অল্প অল্প জল দিয়ে ময়দা মেখে নিতে হবে। ময়দা মখা ঢাকা দিয়ে রেখে দিতে হবে ১০ মিনিট এর মতো। যেহেতু ২ টো রোল বানানো হবে তাই ১০ মিনিট পর মাখানো ময়দা থেকে ২ টো লেচি কেটে নিতে হবে। এরপর ময়দা দিয়ে ২ টো বড়ো রুটি বেলে নিতে হবে। ১ টি রুটির মাঝামাঝি অর্ধেক ক্যাপসিকাম টা রেখে ওতে সামান্য লবণ দিয়ে ভালোভাবে ক্যাপসিকামটা কে মাখিয়ে নিতে হবে। এরপর ১ টা গোটা ডিম ফাটিয়ে ক্যাপসিকাম এর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে। এরপর পরিমাণ মতো লবণ দিয়ে গ্রেড করা গাজর, গ্রেড করা বিট, পেঁয়াজ কুচি আর কাঁচালঙ্কা কুচি একসাথে ভালোকরে মাখিয়ে নিতে হবে। এই বিট গাজর থেকে অর্ধেক নিয়ে ডিমের ওপর দিয়ে দিতে হবে যাতে ডিম টা বেড়িয়ে না আসে। এরপরে ক্যাপসিকাম টা কে রোল বানাতে হবে তাই এক সাইড এর রুটি ক্যাপসিকাম এর ওপর দিতে হবে আর বিপরীত দিকের রুটি আগের সাইড এর ওপর দিয়ে দিতে হবে। আর যে রুটির ২ দিক পরে আছে একি ভাবে মুড়ে দিতে হবে। এরপর হাত দিয়ে ভালোভাবে ধার গুলো চেপে চেপে দিতে হবে। না হলে ভাজবার সময় খুলে যেতে পারে। একিভাবে ২ টো রোলই বানিয়ে নিতে হবে। এবার এগরোল ভাজার পালা। তাই কড়াই তে একটু বেশি তেল দিতে হবে। তেল গরম হলে একে একে সাবধানে ২ টো রোল দিয়ে দিতে হবে। মনে রাখতে হবে এগরোল বানানোর সময় গ্যাস টা কমিয়ে দিতে হবে। একটু সময় লাগবে না হলে এগরোলের ভেতর টা ভালোভাবে হবেনা। একপিঠ ভাজা হয়ে গেলে অন্য পিঠও ভালোভাবে ভাজতে হবে। উল্টে পাল্টে বার বার রোল গুলো ভাজতে হবে। যতো বেশি সময় দেবেন এগরোল ততোবেশি মুচমুচে হবে আর খেতে ভালো লাগবে। ২ পিঠ লাল করে ভাজলেই তৈরি এগরোল। ছুঁড়ি দিয়ে এগরোল গুলো মাঝামাঝি ২ ভাগ করে নিন। আর সস দিয়ে গরম গরম পরিবেশন করুন এগরোল।।

ডিমের পাতুরি

how-to-make-dimer-paturi-egg-recipe

উপকরণ:- ডিম ১টা, নারিকেল কুড়ানো ১ কাপ, পোস্ত ২ চামচ, কাজু বাদাম ৪-৫টা, কাঁচা লঙ্কা ১ টা, হলুদ গুঁড়ো ১ চামচ এর ৪ ভাগের ১ ভাগ, শুকনো কড়ায় ভেজে গুঁড়ো করা জিরে ১/২চামচ, গরম মশলা গুঁড়ো ১/২চামচ, বাঁধা কপি থেকে ৪-৫ টা পাতা ছাড়ানো, ঘি খুবই সামান্য,লবন, সরষের তেল।

আমার যত প্রিয় রেসিপিঃ


কিভাবে ডিমের পাতুরি বানাবেন?

প্রণালি :- প্রথমে গরম জলে ১ টা ১ টা করে বাঁধা কপির পাতা দিতে হবে আর তুলে নিতে হবে সাবধানে। আসলে বাঁধাকপির পাতা গুলো নরম করে নেওয়া, যাতে পাতা গুলো মোড়ার সময় ভালো ভাবে মোড়া যায়। গরম জল থেকে তোলার পর কিছুক্ষণ রেখে দিতে হবে। না হলে ভাজবার সময় তেলে দিলে তেল ছিটকাবে, তাই জলটা ভালোভাবে ঝরাটা খুবই দরকার। এরপর মিক্সিতে নারিকেল কোড়া, পোস্ত, কাজুবাদাম, কাঁচা লঙ্কা দিয়ে মিক্স করে নিতে হবে, জল না দিয়ে। মিক্সি থেকে বের করে হলুদ গুঁড়ো, জিরে গুঁড়ো, গরম মশলা গুঁড়ো, সরষের তেল ১চামচ, পরিমাণ মতো লবন আর ডিম দিয়ে ভালোভাবে মাখিয়ে নিতে হবে। এরপর বাঁধকপির পাতাগুলোতে সামান্য ঘি আর লবন মাখিয়ে এক সাথে মেখে রাখা ডিম নারিকেল প্রতিটাতে সামান্য সামান্য করে দিয়ে ভালো ভাবে মুড়ে দিতে হবে। এরপর কড়াতে সামান্য তেল দিয়ে গরম হতে দিতে হবে। তেল গরম হলে পুর দিয়ে মোড়া বাঁধাকপির পাতা গুলো দিতে হবে। তেল যদি ছিটকায় আবশ্যই ঢাকা দিতে হবে। বাঁধাকপির পাতা গুলো ভালোভাবে ২ পিঠ ভাজতে হবে। এমন ভাবে ভাজতে হবে যাতে বাঁধাকপির পাতা গুলোও খাওয়া যায়। তাই খেয়াল রাখতে হবে পাতা গুলো যেন বেশি পুড়ে না যায়। ভালোভাবে ভাজলেই ডিম জমাট বেঁধে যাবে। তৈরি ডিমের পাতুরি।

ফুলকপির তরকারি বা ফুলকপি ডিমের ডানলাঃ 

Aalu-Gobi-Sabji-fulkopi-Potato-Cauliflower-Curry-torkari

উপকরণ :- বড় ফুলকপি থেকে ৬ টা বড় বড় ফুল ছাড়ানো, ছোটো সাইজের ৩ টে আলু ২ ভাগ করা, পেঁয়াজ কুচি ১/২ কাপ, টম্যাটো ছোট ছোট করে কাটা ১/২ কাপ, মাঝারি সাইজের ২ টো টম্যাটো ২ ভাগ করে কাটা, ধনেপাতা সামান্য, আদাবাটা ১/২ চামচ, রসুন বাটা ১/২ চামচ, পোস্ত বাটা ২ চামচ,হলুদ গুঁড়ো ১ চামচ, লঙ্কা গুঁড়ো ১ চামচ, কাশ্মীরি লঙ্কা গুঁড়ো ১/২ চামচ, গোটা কাঁচালঙ্কা ২ টি, গোটা শুকনো লঙ্কা ২ থেকে ৩টি, গোটা জিরে ১ চামচ, ৩ টে ডিম, সরষের তেল আর লবণ পরিমাণ মতো।

কিভাবে বানাবেন ফুলকপি ডিমের ডানলা বা ফুলকপির তরকারি?

প্রণালী :- প্রথমে একটি পাত্র তে সামান্য জল নিয়ে গ্যাস এ বসাতে হবে, পাত্রর তলাটা যেন চ্যাপ্টা হয়। ৩ টে ডিমের জন্য ৩ টি ছোট ছোট বাটি নিতে হবে। বাটি গুলোতে সামান্য করে সরষের তেল দিয়ে ভালো করে মাখিয়ে নিতে হবে। বাটির তলায় যেন একটু করে তেল থাকে। ওই তেলেই সামান্য লবণ দিয়ে ডিম ফাটিয়ে দিয়ে দিতে হবে আর ডিমের উপরেও সামান্য লবণ দিতে হবে, তবে পরিমান মতো। ডিমে বেশি লবণ দিলে খেতে ভালো লাগবেনা। তাই যতোটা পারবেন কম দেবেন।

এবার গরম জলে বাটি গুলো বসিয়ে দিতে হবে। আগেই দেখে নিতে হবে বাটির থেকে জলের লেবেল যেন কম থাকে আর বাটি গুলো যেন পাত্রের তলায় ঠেকে থাকে। গরম জল ফুটে উঠলে গ্যাস টা কমিয়ে দিতে হবে। না হলে ডিমে জল পড়ে যাবে। কিছু সময় পর দেখা যাবে বাটির নিচে থাকা সরষের তেল উপরে উঠে আসবে। গ্যাস আসতে জ্বলার জন্য ১০ থেকে ১৫ মিনিট রাখতে হবে। এরপর গরম জলের পাত্র টা নামিয়ে রাখতে হবে। ডিমের বাটি ঐ জলেই থাকবে। বাটির নিচের দিকের ডিম জমাট বেঁধে যাবে, কিন্তু ওপরটা ফুলকফির ঝোলে দিলেই হয়ে যাবে। ডিম নরম ই খেতে ভালো লাগবে।

লবণ আর হলুদ দিয়ে আলু সেদ্ধ করে নিতে হবে আর ফুলকপি সামান্য সেদ্ধ করে নিতে হবে। এরপর কড়াই এ ২ চামচ সরষের তেল দিয়ে গোটা জিরে, শুকনো লঙ্কা দিতে হবে। ভাজা হলে বাটিতে ঢেলে নিতে হবে। আবার কড়াই তে সামান্য তেল দিয়ে ফুলকপি আর আলু নেড়ে তুলে নিতে হবে।

এরপর কড়াই তে তেল দিয়ে পেঁয়াজ ও টম্যাটো কুচি আর হাফ করা টম্যাটো দিয়ে বেশ কিছুক্ষণ নাড়তে হবে। পেঁয়াজ ভাজা হয়ে এলে একে একে আদা বাটা, রসুন বাটা, পস্তো বাটা, লঙ্কাগুঁড়ো, কাশ্মীরী লঙ্কা গুঁড়ো, হলুদ গুঁড়ো, ধনেপাতা, কাঁচালঙ্কা দিয়ে মশলা কষতে হবে। মশলা কষা হয়ে এলে ফুলকপি আলু দিয়ে জল দিতে হবে। জল টা পুরোপুরি নির্ভর করবে ফুলকপি আর আলু সেদ্ধর ওপর। ফুলকপি বেশি সেদ্ধ হলে খেতে ভালো লাগবেনা। তাই দেখে জল দিতে হবে। পরিমান মতো লবন দিয়ে ফুলকপি আলুতে ঢাকা দিতে হবে। কিছুক্ষণ পর ঢাকা খুলে সাবধানে ডিম দিতে হবে। ডিম বেশিক্ষণ রাখার দরকার নেই, তা হলে শক্ত হয়ে যাবে। সামান্য ঝোল থাকলে গ্যাস বন্ধ করে ফুলকপির তরকারি তে তেল সহ ভেজে রাখা লঙ্কা জিরে দিয়ে দিতে হবে। তৈরি ফুলকপির তরকারি বা ফুলকপি ডিমের ডানলা।

ডিম ভাপা :

how-to-make-dim-egg-vapa 

উপকরণ :- 

  • ২ টো ডিম, 
  • ১ টি বড়ো পেঁয়াজ কুচানো, 
  • পোস্ত বাটা ৩ চামচ, 
  • হলুদ গুঁড়ো সামান্য, 
  • কাঁচালঙ্কা কুঁচানো ১ টি, 
  • গোটা কাঁচালাঙ্কা ১ টি, 
  • সরষের তেল 
  • লবণ স্বাদ মতো 

আমার যত প্রিয় রেসিপিঃ 

কিভাবে বানাবেন ডিম ভাপা? 

একটা ঢাকা দেওয়া টিফিন বক্স নিতে হবে। টিফিন বক্সের ঢাকনা খুলে ওতে ১ চামচ এর মতো সরষের তেল দিতে হবে। সামান্য লবণ দিয়ে ২ টো ডিম ফাটিয়ে দিয়ে দিতে হবে। ডিমের ওপরে ও সামান্য লবণ দিতে হবে, পরিমান মতো। ২ টো ডিমের বদলে ৩ টে বা ৪ টে ডিম হলেও হবে। তাই লবণ টা পরিমাণ মতো দিতে হবে। এরপর প্রেসার কুকারে ২ বাটি জল দিতে হবে। টিফিন বক্সের ঢাকানা ভালোভাবে এঁটে দিয়ে কুকারে দিয়ে দিতে হবে। এরপর কুকার ওভেনে বসাতে হবে। ৪ টে সিটি মারলে কুকার নামিয়ে নিতে হবে। এরপর ওভেনে কড়াই বসিয়ে ২চামচ সরষের তেল দিয়ে পেঁয়াজ কুঁচি, গোটা কাঁচালঙ্কা আর কুঁচানো লঙ্কা দিতে হবে।পেঁয়াজ ভালো ভাবে নাড়তে হবে। পেঁয়াজ ভালো ভাবে ভাজা হলে পোস্ত বাটা, হলুদ আর লবণ দিয়ে সামান্য জল দিতে হবে। লবণ আবশ্যই সামান্য। পেঁয়াজ পোস্ত ভালোভাবে ভাজা হলে কুকার থেকে সাবধানে টিফিন বক্স বের করতে হবে। টিফিন বক্স এর ঢাকনা খুলে গরম পোস্ত ভাজা ডিমের ওপড় দিয়ে ঢাকনা এঁটে আবার কুকারের গরম জলে দিয়ে কুকারের মুখ বন্ধ করে দিতে হবে। তৈরি ডিম ভাপা। পরে সময় মতো পরিবেশন করুন ডিম ভাপা।

MKRdezign

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget