Latest Post

দই চিংড়ি রেসিপি

 Doi-Chingri-Bengali-Doi-Maach-Recipe

  

উপকরণ :- গলদা চিংড়ি ৫০০ গ্রাম, সরষের তেল ২ টেবিল চামচ, ১ টা টম্যাটো লম্বা লম্বা করে কাটা, ২ টো বড়ো পেঁয়াজ কুঁচি, আদা - রুসুন বাটা ১ চামচ, ১ টা কাঁচালঙ্কা গোল গোল করে কেটে নিতে হবে, ধনেপাতা কুঁচি ১ টেবিল চামচ, ঘি ১/২ চামচ, চিনি সামান্য, হলুদ গুঁড়ো সামান্য ( চিংড়ি মাছে হলুদ মাখানোর জন্য আলাদা হলুদ নিতে হবে), লঙ্কা গুঁড়ো ১ চামচ, ২ টো পেঁয়াজ কুঁচি ডুবো তেলে ভাজা (বেরেস্তা), গোটা জিরে ১ চামচ, টক দই ৩ টেবিল চামচ, নুন পরিমাণ মতো, তাছাড়া আরও লাগছে ৬ টা এলাচ, ৬ টা লবঙ্গ, ৪ টি গোলমরিচ আর দু'ই টুকরো দারচিনি।

কি ভাবে বানাবেন দই চিংড়ি ?



প্রণালি : -প্রথমে চিংড়ি মাছ পরিষ্কার করে কেটে ধুয়ে নিতে হবে। আমি গলদা চিংড়ি নিয়েছি, আপনারা চাইলে এটা সাধারণ মাঝারি মাপের চিংড়ি দিয়েও এটা বানাতে পারেন। চিংড়ি মাছ ধোওয়ার পর পরিমাণ মতো নুন আর হলুদ দিয়ে মাখিয়ে নিতে হবে।
এরপর বানাতে হবে দই চিংড়ি র মশলা। তাই কড়া গরম করে তেল দিতে হবে। তেলের মধ্যে দিয়ে দিতে হবে ৩ টি এলাচ, ৩ টি লবঙ্গ, ১ টুকরো দারচিনি আর ৪ টি গোল মরিচ। গরম তেলে এলাচ সবসময় ফাটিয়ে তবেই তেলে দেবেন, না হলে তেল ছিটকাতে পারে।
গোটা গরম মশলা তেলে ভাজলে গন্ধটা ভালো আসে।
এবার দিতে হবে গোটাজিরে। গোটাজিরে তেলে বেশি ভাজবার দরকার নেই। দিয়ে দিতে হবে পেঁয়াজ কুঁচি। পেঁয়াজ ভাজতে একটু সময় লাগে।
ভাজা পেঁয়াজ এর মধ্যে দিতে হবে টম্যাটো কুঁচি। পেঁয়াজ আর টম্যাটো আবার ভাজতে হবে।
এরপর দিতে হবে আদা -রুসুন বাটা, লঙ্কা কুঁচি, লঙ্কা- হলুদ গুঁড়ো। সব মশলা কষিয়ে নিতে হবে।
রান্নাতে যদি পেঁয়াজ আর মশলা ভালোভাবে ভাজা হয় বা কষানো হয়, তাহলে যে কোন রান্নাই খেতে সুস্বাদু হয়।
এসময় টক দই এ পরিমাণ মতো নুন দিয়ে ফেটিয়ে নিতে হবে আর দিয়ে দিতে হবে কড়াতে।
টক দই দেওয়ার পর দিতে হবে ধনেপাতা কুঁচি, চিনি, চিনি কিন্তু আমি খুবই সামান্য নিয়েছি। টক দই যে পাত্রে ছিলো ওটা জল দিয়ে ধুয়ে কড়াতে দিতে হবে। এবার এটা হতে দিতে হবে যতোক্ষণ না মশলা থেকে তেল ছাড়ে।
মশলা তৈরি হয়ে গেলে নামিয়ে নিতে হবে। তারপর ঠান্ডা করে নিয়ে মিক্সিতে পেস্ট বানিয়ে নিতে হবে।
নুন- হলুদ মাখানো চিংড়ি মাছ ভাজবার জন্য ভালোভাবে কড়া গরম করে তেল দিতে হবে।
তেল গরম হলে এক এক করে দিয়ে দিতে হবে চিংড়ি মাছ। গরম তেল তাই চিংড়ি মাছ সাবধানে গরম তেল দিতে হবে।
উল্টে পাল্টে চিংড়ি মাছ ভালোকরে ভেজে নিতে হবে।
চিংড়ি মাছ ভাজা হলে তুলে নিতে হবে। চিংড়ি মাছ কিন্তু খুব বেশি তেল দিয়ে ভাজবেন না। মাছ ভাজবার পর যেন কড়াতে খুবই সামান্য তেল পরে থাকে।
ওই তেলেই দিতে হবে এলাচ - লবঙ্গ আর দারচিনি।
এগুলো তেলে সামান্য ভেজে নিতে হবে। এরপর দিতে হবে মশলার পেস্ট। মশলা লেগে থাকলে জল দিয়ে ধুয়ে নিয়ে দিয়ে দিতে হবে কড়াতে।
চিংড়ি মাছ সেদ্ধ হবে তাই আর ও কিছুটা জল দিতে হবে।
এরপর দিতে হবে ভাজা চিংড়ি মাছ আর ভাজা পেঁয়াজ।
আমি টক দই ফেটানোর সময় বেশি করে নুন দিয়েছিলাম তাই আর নুন দেবোনা। আপনারা চাইলে এসময় স্বাদ বুঝে নুন দিতে পারেন।
এবার এটা হতে দিতে হবে ১৫ মিনিট। তবে মাঝে একবার চিংড়ি মাছ উল্টে দিতে হবে। ছোট চিংড়ি মাছ হলে ১০ মিনিট রাখতে পারেন।
নামানোর আগে দিতে হবে ঘি। মিশিয়ে নিলেই তৈরি দই চিংড়ি
এটা পরিবেশন করতে পারেন ভাত বা রুটির সাথে।

পটল পোস্ত রেসিপি

Potol-Posto-Bengali-Potol-Recipe

উপকরণ :- পটল ৬ টা, ২ টো বড়ো পেঁয়াজ কুঁচি( পেঁয়াজ খুব সরু সরু করে কাটতে হবে), ১ টা তেজপাতা, ১ টা টম্যাটো লম্বা লম্বা করে কাটতে হবে, ৪ টি কাঁচালঙ্কা চেঁরা, লঙ্কা গুঁড়ো ১/২ চামচ, হলুদ গুঁড়ো সামান্য ( পটলে মাখানোর জন্য আলাদা হলুদ নিতে হবে), নুন পরিমাণ মতো, ৪ টেবিল চামচ পোস্ত ভালোভাবে বেটে নিতে হবে, তাছাড়া আরও লাগছে সরষের তেল।

কি ভাবে বানাবেন পটল পোস্ত ?



প্রণালি : - প্রথমে পটল ধুয়ে নিতে হবে। এরপর পটলের দু'ধার কেটে মাঝে মাঝে খোসা ফেলে দিতে হবে। এবার ছুরি দিয়ে মাঝে মাঝে মাঝ বরাবর চিঁরে দিতে হবে, কিন্তু দু'ধার চিঁরলে হবে না আসলে পটল পোস্ত তে পটল গোটা থাকবে।
একিভাবে সব পটল কেটে নিতে হবে।
এরপর পটলে নুন আর হলুদ দিয়ে ভালোভাবে মাখিয়ে নিতে হবে।
বেশি তেল দিয়ে পটল ভাজবার জন্য তেল গরম হতে দিতে হবে।
তেল গরম হলে এক এক করে নুন-হলুদ মাখানো পটল দিয়ে দিতে হবে। উল্টে পাল্টে পটল লাল করে ভাজতে হবে।
গরম তেলে সব্জি ভাজলে বেশি তেল লাগেনা। আপনারা চাইলে বেশি তেল দিয়ে পটল না ভেজে কম তেল দিয়েও পটল ভাজতে পারেন।
পটল লাল করে ভাজা হলে, খুব ভালোভবে তেল ঝড়িয়ে পটল তুলে নিতে হবে।
পটল পোস্ত বানানোর জন্য আলাদা একটা কড়াই গরম হতে দিতে হবে।
কড়া গরম হলে ২ টেবিল চামচ তেল দিতে হবে।
তেল গরম হলে দিতে হবে তেজপাতা। তেজপাতা তেলে ভেজে নিতে হবে।
এরপর দিয়ে দিতে হবে পেঁয়াজ কুঁচি। পেঁয়াজ খুব ভালোভাবে ভাজতে হবে। পেঁয়াজ যতো ভালোভাবে ভাজা হবে পটল পোস্ত খেতে তত ভালো লাগবে।
ভাজা পেঁয়াজ এর মধ্যে দিতে হবে টম্যাটো কুঁচি আর কাঁচা লঙ্কা চেঁরা।
তেলে টম্যাটো আর কাঁচা লঙ্কা ভেজে নিতে হবে।
ওর মধ্যে দিতে হবে লঙ্কা গুঁড়ো আর হলুদ গুঁড়ো।
এক-দু'বার এদিক ওদিক নাড়াচাড়া করার পর দিয়ে দিতে হবে ভাজা পটল আর পোস্ত বাটা। পোস্ত বাটা যে পাত্রে ছিলো ওটা জল দিয়ে ধুয়ে নিতে হবে আর দিয়ে দিতে হবে কড়ার মধ্যে। জল কিন্তু বেশি দেবেন না, ১/২ কাপ জল হলেই হবে।
এরপর দিয়ে দিন পরিমাণ মতো নুন।
এবার এটা ঢাকা দিয়ে হতে দিতে হবে ৫ মিনিট। তবে মাঝে একবার ঢাকা খুলে নাড়াচাড়া করে আবার ঢাকা দিয়ে হতে দিতে হবে।
৫ মিনিট পর ঢাকা খুলে নাড়াচাড়া করে নামিয়ে নিন পটল পোস্ত
এটা অবশ্যই ভাত এর সাথে পরিবেশন করুন।

আমসত্ত্ব রেসিপি

Aam-Papad-ecipe-In-Bengali  

উপকরণ:- পাকা আম ১ কেজি, চিনি ১/২ কাপ, ৫টা এলাচ গুঁড়ো করা আর লাগছে সামান্য তেল।

 কি ভাবে বানাবেন আমসত্ত্ব রেসিপি ?



প্রণালি :- আম সেদ্ধ করবার জন্য একটি পাত্রে জল নিয়ে গরম হতে দিতে হবে। জল গরম হলে দিয়ে দিতে হবে আম।
৫ মিনিট এটা হতে দিতে হবে।
৫ মিনিট পর গ্যাস বন্ধ করে দিতে হবে আর আম গুলো তুলে নিতে হবে। এরপর আম ঠাণ্ডা হতে দিতে হবে। তবে ঠাণ্ডা জলে দিয়ে ঠান্ডা হতে দিলে হবে না, এমনি ঠাণ্ডা হতে দিতে হবে।
আম ঠাণ্ডা হলে একটি কড়াই এর মধ্যে আমের শাঁস নিতে হবে।
আমের খোসা ফেলে দিতে হবে, কিন্তু খোসাতে যে শাঁস থাকে নিয়ে নিতে হবে। আম সেদ্ধ করলে নরম হয়ে যায়, তাই একটু চাপ দিলেই শাঁস আর আঁটি আলাদা হয়ে যায়। সব আমের শাঁস বের করে নিতে হবে।
এরপর গ্যাস অন করে কড়াই টা বসিয়ে দিতে হবে।
ওর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে এলাচ গুঁড়ো আর চিনি।
আম গরম হয়ে গেলে আঁচ কমিয়ে দিয়ে বানাবেন, তা না হলে আমের শাঁস গাঢ় ছিটকাবে।
এটা বানাতে হবে আঁচ কমিয়ে প্রায় ১০ মিনিট।
১০ মিনিট পর এটা নামিয়ে নিতে হবে একটি পাত্রে, কিন্তু তার আগে পাত্রে সামান্য তেল বুলিয়ে নিতে হবে।
এবার ঢেলে নিন তেল মাখানো পাত্রে। দু'হাত দিয়ে ঝাঁকিয়ে নেবেন, তাহলে এটা সমান ভাবে চারিয়ে যাবে।
এবার এটা রোদে শুকাতে হবে।
আমি যদি বলি ৫ দিন লেগেছে শুকাতে, হয়তো দেখা যাবে আপনি দিনে ১ ঘণ্টা রোদে দিলেন, তাহলে শুকাবে না। তাই বলছি এটা রোদে ভালোভাবে শুকাতে হবে, সেটা ৩ দিনও লাগতে পারে আবার হয়তো ১০ দিন।
ওপরের দিকটা শুকিয়ে গেলে উল্টে দিয়ে আবার শুকিয়ে নিতে হবে।
ভালোভাবে শুকিয়ে গেলে ছোট বা বড়ো, মনের মতো করে কেটে নিন।
তৈরি আমসত্ব। আমসত্ব ভালোভাবে শুকনো করলে অনেক দিন প্ররযন্ত এটা রাখা যায়।

আম কাতলা রেসিপি

Aam-katla-Bengali-fish-curry-recipe

উপকরণ :- কাতলা মাছের পিস ৬ টা, ১ টা বড়ো পেঁয়াজ কুঁচি, শুকনো আমের টুকরো ২ টো ( ১ টা আমের ৪ ভাগের ১ ভাগ), আদা - রুসুন বাটা ১ চামচ, সরষে বাটা ১/২ চামচ, নুন পরিমাণ মতো, লঙ্কা গুঁড়ো ১+১/২ চামচ, হলুদ গুঁড়ো সামান্য, পাঁচ ফোড়ন সামান্য আর লাগছে সরষের তেল ১ টেবিল চামচ।

কি ভাবে বানাবেন আম কাতলা ?


প্রণালি :- রান্নার আগে আম শুকনো ১ কাপ জলে ভিজিয়ে দিতে হবে। আম যতো ভালো শুকনো হবে আম কাতলা খেতে ততো বেশি ভালোলাগে, কারন শুক্ন আমের নিজস্ব একটা গন্ধ আছে। আপনারা চাইলে কাঁচা আম দিয়েও বানাতে পারেন, তবে স্বাদ আলাদা আলাদা হয়।
মাছে নুন আর হলুদ মাখিয়ে নিতে হবে রান্নার ৫ মিনিট পর।
মাছ ভাজবার জন্য ভালোভাবে কড়া গরম করে তেল দিতে হবে। তেল গরম হলে এক এক করে দিয়ে দিতে হবে মাছের পিস। মাছের পিস লাল করে ভেজে তুলে নিতে হবে।
এই তেলেই দিয়ে দিতে হবে পাঁচ ফোড়ন আর পেঁয়াজ কুঁচি। পেঁয়াজ খুব ছোট সরু সরু করে কাটতে হবে। পেঁয়াজ লাল করে ভাজতে হবে, তবেই গ্রেভি খেতে ভালো লাগবে।
পেঁয়াজ লাল করে ভাজা হলে এক এক করে দিতে হবে আদা-রুসুন বাটা, সরষে বাটা, হলুদ - লঙ্কা গুঁড়ো। তেলে সব উপকরণ ভেজে নিতে হবে। বেশি ভাজবার দরকার নেই, সরষে বাটা দেওয়া আছে বেশি ভাজলে তেতো লাগতে পারে।
মশলা ভাজা হলে দিয়ে দিতে হবে জল সহ ভেজানো শুকনো আম, আরো ২ কাপ জল আর নুন।
এরপর এটা হতে দিতে হবে ৫ মিনিট।
৫ মিনিট পর ভাজা মাছ দিয়ে দিতে হবে।
আবার এটা হতে দিতে হবে ২-৩ মিনিট এর মতো।
৩ মিনিট পর নামিয়ে নিন আম কাতলা

নিরামিষ শসার তরকারি 

Cucumber-curry-Niramish-Ranna


উপকরণ :- ৫০০ গ্রাম শসা, ভেজানো কাঁচা ছোলা, ২ টো কাঁচা লঙ্কা চেঁরা, তেজপাতা ১ টা, গোটা শুকনো লঙ্কা ২ টো, পাঁচ ফোড়ন সামান্য, সরষে বাটা ১/২ চামচ, আদা বাটা ১/২ চামচ, নুন পরিমাণ মতো আর লাগছে সাদা তেল ১ চামচ।

কি ভাবে বানাবেন নিরামিষ শসার তরকারি ?



প্রণালি :- প্রথমে শসার খোসা ফেলে দিয়ে সরু সরু করে কাটতে হবে। কাটার সময় একটু করে শসা খেয়ে দেখবেন, যদি তেতো হয় সেই শসাটা দেওয়ার দরকার নেই। আর এটা বানানোর চেষ্টা করবেন নরম শসা দিয়ে।
এরপর কড়া গরম করে তেল দিতে হবে। তেলের মধ্যে দিতে হবে তেজপাতা, গোটা শুকনো লঙ্কা আর পাঁচ ফোড়ন।
তেলে সামান্য ভাজার পর এক এক করে দিয়ে দিতে হবে নারকেল কোড়া, ভেজানো ছোলা, কাঁচা লঙ্কা চেঁরা, আদা বাটা আর হলুদ গুঁড়ো। তেলে সব উপকরণ ভালোভাবে ভেজে নিতে হবে। নারকেল ভাজা ভাজা হলে খেতে ভালো লাগে।
এরপর দিতে হবে সরষে বাটা, বেশি ভাজলে সরষে বাটা তেতো লাগতে পারে, তাই বেশি নাড়াচাড়া করবার দরকার নেই।
এর মধ্যে দিয়ে দিতে হবে কুচানো শসা আর পরিমাণ মতো নুন।
আমি নিরামিষ তরকারি বানাচ্ছি, আপনারা এটা চিংড়ি মাছ দিয়েও এটা বানাতে পারেন। ভাজা চিংড়ি মাছ এ সময় দিয়ে দিতে পারেন।
এবার এটা হতে দিতে হবে ১৫ মিনিট, তবে মাঝারি আঁচে।
মাঝে মাঝে ঢাকা খুলে নাড়াচাড়া করে আবার ঢাকা দিয়ে হতে দিতে হবে।
শসা থেকে জল বের হয় তাই রান্নার সময় জল দেবেন না। শসার তরকারি শুকনো শুকনো হয়।
১৫ মিনিট পর নামিয়ে নিন শসার তরকারি

মাছের মাথা দিয়ে পুঁই শাক চচ্চড়ি 

 Macher-Matha-Diye-Pui-Saag-Bengali-Recipe

উপকরণ :- মাছের মাথা দিয়ে পুঁই শাক বানানোর জন্য লাগছে পুঁই শাক ২৫০ গ্রাম, ১ টা রুই মাছের মাথা ( আপনারা চাইলে ইলিশ বা কাতলা মাছের মাথা নিতে পারেন), কুমড়ো ২৫০ গ্রাম, ২ টো মাঝারি মাপের আলু, ২ টো পেঁয়াজ, তেজপাতা ১ টা, ২ টো গোটা শুকনো লঙ্কা, পাঁচ ফোড়ন সামান্য, সরষের তেল ১ টেবিল চামচ, গোটা জিরে ১ চামচ এর ৪ ভাগের ১ ভাগ, এলাচ ২ টো, লবঙ্গ ২ টো, দারচিনি এক টুকরো, চিনি ১/২ চামচ, লঙ্কা গুঁড়ো ১ চামচ, হলুদ গুঁড়ো ১ চামচ এর ৪ ভাগের ১ ভাগ( মাছের মাথাতে মাখানোর জন্য আলাদা হলুদ নিতে হবে), নুন পরিমাণ মতো, আদা-রুসুন বাটা ১ চামচ আর লাগছে ভেজানো ছোলা।


 কি ভাবে বানাবেন মাছের মাথা দিয়ে পুঁই শাক ?

প্রণালী :- প্রথমে সব্জি কেটে নিতে হবে। আলু আর কুমড়ো মাঝারি মাপ করে কাটতে হবে। আলু আর কুমড়ো যেনো এক সাথে সেদ্ধ হয় সেই মতো কাটতে হবে।
এরপর কাটতে হবে পুঁই শাকের ডাঁটা, ডাঁটা কাটতে হবে মাঝারি মাপ করে। ডাঁটার গায়ে যে খোসা থাকে সেগুলো ফেলে দিতে হবে।
পুঁই শাক গুলো কুঁচিয়ে নিতে হবে।
এরপর সব সব্জি ধুয়ে নিতে হবে।
রান্নার প্রথমে গোটা জিরে, এলাচ, লবঙ্গ আর দারচিনি শুকনো কড়াতে ভেজে গুঁড়ো করে নিতে হবে। এটা সব সময় বানানোর চেস্টা করবেন রান্নার ঠিক আগে, এতে গন্ধ টা ভালো আসে, আগে থেকে বানানো গুঁড়ো মশলা ব্যাবহার না করায় ভালো।
মাছের মাথা তে নুন আর হলুদ মাখিয়ে নিতে হবে।
এরপর মাছের মাথা ভাজবার জন্য কড়া গরম করে তেল দিতে হবে।
তেল গরম হলে দিয়ে দিতে হবে মাছের মাথা।
উল্টে পাল্টে মাছের মাথা ভেজে নিতে হবে। মাছের মাথাটা ভেঙে দিয়ে ভালোভাবে ভেজে তুলে নিতে হবে।
এই তেলেই দিয়ে দিতে হবে তেজপাতা, শুকনো লঙ্কা আর পাঁচ ফোড়ন। সামান্য ভেজে নিতে হবে এতে গন্ধটা ভালো আসবে।
এবার দিতে হবে আলু আর কুমড়ো।
আলু আর কুমড়ো অর্ধেক ভাজা হলে দিয়ে দিতে হবে পেঁয়াজ কুঁচি আর পুঁই শাকের ডাঁটা। সব উপকরণ ভালোভাবে ভাজতে হবে।
সব উপকরণ ভালোভাবে ভাজা হলে এক এক করে দিয়ে দিতে হবে ভেজানো ছোলা, আদা-রুসুন বাটা, হলুদ- লঙ্কা গুঁড়ো আর চিনি। এ সময় চিনি দিলে রঙ টা ভালো আসে। কুমড়ো দিয়েছি তাই চিনি দিলাম। আপনারা চায়লে অবশ্যই কম চিনি দিতে পারেন।
মশলা ভালোভাবে ভাজা হলে দিয়ে দিতে হবে পুঁই শাক আর নুন।
পুঁই শাক দেবার পর বেশ কিছুক্ষণ ধরে নাড়াচাড়া করতে হবে।
এরপর দিতে হবে জল। জল একটু বেশি করেই দিতে হবে।
এবার এটা ঢাকা দিয়ে হতে দিতে হবে প্রায় ১০ মিনিট।
১০ মিনিট পর ঢাকা খুলে নিতে হবে আর দিয়ে দিতে হবে মাছের মাথা।
আবার এটা হতে দিতে হবে ৫ মিনিট। রান্না টা একটু শুকনো শুকনো হবে।
নামানোর আগে দিতে হবে রোস্টেড জিরে আর গরম মশলা গুঁড়ো। মিশিয়ে নিলেই তৈরি মাছের মাথা দিয়ে পুঁই শাক।

ধাবা স্টাইলে চিকেন কড়াই রেসিপি

Dhaba-Style-Chicken-Curry



 উপকরণ :- চিকেন ৫০০ গ্রাম, ৩ টে পেঁয়াজ কুঁচি, ২টো টম্যাটো কুঁচি( টম্যাটো আর পেঁয়াজ খুব ছোটো ছোটো করে কাটতে হবে), টক দই ২ টেবিল চামচ, ১ টা তেজপাতা, এলাচ ৩টি, লবঙ্গ ৫ টা, দারচিনি ১ টুকরো, আদা- রুসুন বাটা ১ টেবিল চামচ, সাদা তেল ১ টেবিল চামচ, ঘি ১ চামচ, লঙ্কা গুঁড়ো ১ চামচ, হলুদ গুঁড়ো ১/২ চামচ, নুন পরিমাণ মতো, ২ টো কাঁচা লঙ্কা চেঁরা, ধনেপাতা কুঁচি, লেবুর রস ১ চামচ আর লাগছে ভাজা গুঁড়ো মশলা( এতে আছে গোটা ধনে ১/২ চামচ, গোটা জিরে ১/২ চামচ, এলাচ ৪ টি, দারচিনি ১ টুকরো, লবঙ্গ ৫ টি, গোল মরিচ ৮টি আর কসৌরি মেথি সামান্য এই সব উপকরণ শুকনো কড়াতে ভেজে গুঁড়ো)।

কি ভাবে বানাবেন ধাবা স্টাইলে চিকেন কড়াই ?


প্রণালি :- প্রথমে চিকেন ম্যারিনেট করে নিতে হবে তাই চিকেনের মধ্যে দিতে হবে নুন, হলুদ গুঁড়ো, লঙ্কা গুঁড়ো ( লঙ্কা আর হলুদ আর্ধেক টা দিতে হবে বাকি গ্রেভি বানানোর সময় দিতে হবে), আর দিতে হবে লেবুর রস। হাত দিয়ে মাখিয়ে নিতে হবে যাতে চিকেনে ভালোভাবে সব উপকরণ মাখা হয়। এবার এটা ঢাকা দিয়ে হতে দিতে হবে ফ্রিজে প্রায় ৩০ মিনিট।
৩০ মিনিট পর চিকেন কারি বানানোর জন্য কড়া গরম করে তেল দিতে হবে। তেলের মধ্যে দিতে হবে তেজপাতা, এলাচ, লবঙ্গ, দারচিনি। তেলে সামান্য ভেজে নিতে হবে যাতে গোটা মশলার গন্ধ টা ভালো আসে।
এরপর দিতে হবে পেঁয়াজ কুঁচি। পেঁয়াজ ভালোভাবে ভাজা হলে দিয়ে দিতে হবে আদা-রুসুন বাটা, লঙ্কা -হলুদ গুঁড়ো। আদা-রুসুন ভাজা হলে দিতে হবে টম্যাটো কুঁচি। এটা হতে দিতে হবে যতোক্ষণ না টম্যাটো সেদ্ধ হয়।
টম্যাটো সেদ্ধ হলে ম্যারিনেট করা চিকেন দিয়ে দিতে হবে। চিকেন মশলার সাথে ভাজতে হবে। এ সময় টক দই এ নুন দিয়ে ফেটিয়ে নিতে হবে আর দিয়ে দিতে হবে কড়াতে।
এরপর দিতে হবে কাঁচা লঙ্কা চেঁরা, ধনেপাতা কুঁচি, ভাজা গুঁড়ো মশলা আর ঘি। এসময় ঘি দিলে গন্ধ টা ভালো আসে। সব মশলার সাথে চিকেন হতে দিতে হবে প্রায় ৫ -৭ মিনিট।
৭ মিনিট পর জল দিয়ে দিন। জল একটু বেশি করেই দিতে হবে। এবার এটা ঢাকা দিয়ে হতে দিতে হবে প্রায় ২০ মিনিট তবে মাঝারি আঁচে।
২০ মিনিট পর নামিয়ে নিন ধাবা স্টাইলে চিকেন কারি।

MKRdezign

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget