Latest Post

দই পটল রেসিপিঃ

dahi-potolparwal-recipe-totanas-recipe

 

উপকরন :-
পটল ২৫০গ্রাম বড়ো সাইজ এর, দই ১/২ কাপ, পেঁয়াজ এর পেস্ট ১/২ কাপ, আদা রসুন এর পেস্ট ১চামচ, গোটা গরম মশলা, সামান্য হলুদ গুঁড়ো, লঙ্কা গুঁড়ো ১ চামচ, লবণ, সামান্য চিনি, আর তেল।

আমার যত প্রিয় রেসিপিঃ




কিভাবে বানাবেন দই পটল রেসিপি?

প্রণালি :-
প্রথমে পটল গুলো জল দিয়ে ভালো ভাবে ধুয়ে নিতে হবে। এরপর ছুরি দিয়ে পটলের ২ ধার কাটতে হবে। ছোলার দিয়ে মাঝে মাঝে পটলের খোসা ফেলে দিতে হবে ৩-৪ বার। এরপর ছুরি দিয়ে পটলের মাঝ বরাবর চিঁড়তে হবে ৩-৪ বার যেখানে পটলের খোসা ছাড়ানো। সাবধানে পটল গুলো চিঁরতে হবে। যেন পটল গুলো লম্বা লম্বি চিঁরে না যায়। পটল গুলো লম্বা লম্বি চিঁরে গেলে ভাজবার সময় গোটা থাকবেনা। পটল গোটা থাকলে দেখতে ভালো লাগবে। আর পটল মাঝে মাঝে চেঁরার কারন দই পটল বানালে ওর গ্রেভি পটলের ভেতর ঢোকবে আর পটল খেতে বেশি ভালো লাগবে। এইভাবেই সব পটল কাটতে হবে। কাটা পটলে পরিমাণ মতো লবন, আর সামান্য হলুদ দিয়ে ভালোভাবে মাখিয়ে নিতে হবে। এবার পটল ভাজার পালা তাই কড়াই গরম করে তেল দিতে হবে। গোটা পটল ভাজা হবে তাই একটু বেশি তেল দিতে হবে। তেল গরম হলে লবন, হলুদ মাখানো পটল দিয়ে দিতে হবে। পটল একটু লালচে করেই ভাজতে হবে কারণ দই পটলের গ্রেভি বানানোর জন্য কোনো বাড়তি জল ব্যাবহার হবে না। পটল ভাজা হলে তুলে রেখে দিতে হবে। এরপর গরম তেলে গোটা গরম মশলা ফোড়ন দিতে হবে। তেল থেকে গরম মশলার গন্ধ বের হলেই ওতে দিতে হবে পেঁয়াজ এর পেস্ট। বেশ কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করতে হবে, না হলে পেঁয়াজ এর যে কাঁচা গন্ধ সেটা থেকে যাবে। এরপর দিতে হবে আদা রসুনের পেস্ট। প্রায় ১ মিনিট এর মতো নাড়াচাড়া করতে হবে। এবার লঙ্কা গুঁড়ো। লঙ্কা গুঁড়ো নিজের মতো করে দিতে পারেন, বেশি বা কম। গ্রেভির রঙ আর স্বাদের জন্য দিতে হবে সামান্য চিনি। এরপর দিতে হবে পরিমাণ মতো লবণ। রান্নায় দেবার আগে টক দই টাকে ভালোভাবে ফেটিয়ে নিতে হবে। এবার কড়াই দিতে হবে টক দই। টক দই দিয়ে সামান্য নাড়াচাড়া করতে হবে। গ্রেভি তৈরি। এরপর ভেজে রাখা সব পটল গ্রেভির মধ্যে দিয়ে দিতে হবে। গ্যাস এর আঁচ কমিয়ে ২-৩ মিনিট রেখে দিতে হবে। আর বারবার হাতা দিয়ে পটল গুলো নাড়াচাড়া করতে হবে। তবেই পটলের ভেতর গ্রেভি ভালোভাবে ঢোকবে। আর পটল গুলো খেতে ভালো লাগবে। পটল আর গ্রেভি মাখামাখা হয়ে গেলেই তৈরি দই পটল।



বাড়িতে বানান Egg Fried Rice খুব সহজে খুব তাড়াতাড়ি

quick-fried-rice-recipe-at-home-with

এগ ফ্রায়েড রাইস রেসিপিঃ

উপকরণ :- সেদ্ধ বাসমতী রাইস প্রায় 2 বাটি, বিনস- গাজর-ফুলকপি ছোট ছোট করে কাটা 2 কাপ, বীজ ফেলে দিয়ে টম্যাটো কুচি ১/২ কাপ, বাঁধাকপি ১/২ কাপ, লম্বা লম্বা করে কাটা পেঁয়াজ ১/২ কাপ, কাঁচালঙ্কা কুচি ২টি, গোটা রসুন ২ থেকে ৩ কোয়া,লবঙ্গ, এলাচ, দারচিনি, গোলমরিচ গুড়ো ১/২ চামচ, লঙ্কা গুড়ো ১/২ চামচ, ২টো ডিম ঝুড়ো করে ভাজা,লবণ স্বাদ মতো আর সাদা তেল।

আমার যত প্রিয় রেসিপিঃ



প্রণালি :- প্রথমে কড়াইতে ২ চামচ এর মতো তেল দিতে হবে। তেল গরম হলে গোটা রসুন, লবঙ্গ, দারচিনি ফোড়ন দিতে হবে। এরপর একে একে কেটে রাখা বিনস, গাজর, ফুলকপি, বাঁধাকপি, টম্যাটো কুচি, লঙ্কা কুচি, পেঁয়াজ কুচি, পরিমাণ মতো লবণ, আর গোল মরিচ গুঁড়ো দিয়ে বেশ কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করতে হবে। এরপর এতে লঙ্কা গুড়ো আর ঝুড়ো করে ভেজে রাখা ডিম দিয়ে সামান্য একটু নাড়াচাড়া করে সেদ্ধ করে রাখা বাসমতী রাইস দিয়ে দিতে হবে। সমস্ত সব্জি আর রাইস ভালোভাবে মিশিয়ে নিতে হবে। তৈরি এগ ফ্রায়েড রাইস।।

কিভাবে বানাবেন এগ ফ্রায়েড রাইস?


ডিমের পাতুরি

how-to-make-dimer-paturi-egg-recipe

উপকরণ:- ডিম ১টা, নারিকেল কুড়ানো ১ কাপ, পোস্ত ২ চামচ, কাজু বাদাম ৪-৫টা, কাঁচা লঙ্কা ১ টা, হলুদ গুঁড়ো ১ চামচ এর ৪ ভাগের ১ ভাগ, শুকনো কড়ায় ভেজে গুঁড়ো করা জিরে ১/২চামচ, গরম মশলা গুঁড়ো ১/২চামচ, বাঁধা কপি থেকে ৪-৫ টা পাতা ছাড়ানো, ঘি খুবই সামান্য,লবন, সরষের তেল।

আমার যত প্রিয় রেসিপিঃ


কিভাবে ডিমের পাতুরি বানাবেন?

প্রণালি :- প্রথমে গরম জলে ১ টা ১ টা করে বাঁধা কপির পাতা দিতে হবে আর তুলে নিতে হবে সাবধানে। আসলে বাঁধাকপির পাতা গুলো নরম করে নেওয়া, যাতে পাতা গুলো মোড়ার সময় ভালো ভাবে মোড়া যায়। গরম জল থেকে তোলার পর কিছুক্ষণ রেখে দিতে হবে। না হলে ভাজবার সময় তেলে দিলে তেল ছিটকাবে, তাই জলটা ভালোভাবে ঝরাটা খুবই দরকার। এরপর মিক্সিতে নারিকেল কোড়া, পোস্ত, কাজুবাদাম, কাঁচা লঙ্কা দিয়ে মিক্স করে নিতে হবে, জল না দিয়ে। মিক্সি থেকে বের করে হলুদ গুঁড়ো, জিরে গুঁড়ো, গরম মশলা গুঁড়ো, সরষের তেল ১চামচ, পরিমাণ মতো লবন আর ডিম দিয়ে ভালোভাবে মাখিয়ে নিতে হবে। এরপর বাঁধকপির পাতাগুলোতে সামান্য ঘি আর লবন মাখিয়ে এক সাথে মেখে রাখা ডিম নারিকেল প্রতিটাতে সামান্য সামান্য করে দিয়ে ভালো ভাবে মুড়ে দিতে হবে। এরপর কড়াতে সামান্য তেল দিয়ে গরম হতে দিতে হবে। তেল গরম হলে পুর দিয়ে মোড়া বাঁধাকপির পাতা গুলো দিতে হবে। তেল যদি ছিটকায় আবশ্যই ঢাকা দিতে হবে। বাঁধাকপির পাতা গুলো ভালোভাবে ২ পিঠ ভাজতে হবে। এমন ভাবে ভাজতে হবে যাতে বাঁধাকপির পাতা গুলোও খাওয়া যায়। তাই খেয়াল রাখতে হবে পাতা গুলো যেন বেশি পুড়ে না যায়। ভালোভাবে ভাজলেই ডিম জমাট বেঁধে যাবে। তৈরি ডিমের পাতুরি।

 চিঁড়ের মোয়া 

chirer-moya-laddu

উপকরণ:-

  • চিঁড়ে 2 কাপ,
  • গুড় ১কাপ,
  • চিনা বাদাম ১/২ কাপ,
  • ঘি ১চামচ,
  • সামান্য লবণ আর 
  • সরষের তেল।

আমার যত প্রিয় রেসিপিঃ 


কিভাবে বানাবেন চিঁড়ের মোয়া বা চিঁড়ের লাড্ডু?

প্রণালী:- কড়াই তে সামান্য লবন আর তেল দিয়ে চিনাবাদাম ভালো ভাবে ভেজে তুলে নিতে হবে। এরপর ১ চামচ ঘি দিয়ে ২ কাপ চিঁড়ে বেশ কিছুক্ষণ নাড়াচাড়া করার পর নামিয়ে নিতে হবে। চিনা বাদাম ঠাণ্ডা হলে খোসা ছাড়িয়ে ২ ভাগ করে নিতে হবে। এরপর কড়াই তে গুড় দিয়ে গরম করতে হবে। যদি পাটালী গুড় হয় তাহলে কড়াই তে ১ কাপ জল দিয়ে ১০০ গ্রাম এর মতো গুড় দিয়ে গরম করতে হবে। ৪ ভাগের ১ ভাগ হয়ে এলেই গুড়, ভেজে রাখা চিঁড়ে আর চিনা বাদাম দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। কিছুক্ষণ পর কড়াই থেকে গুড় মাখানো চিঁড়ে বাদাম একটি পাত্রে নামিয়ে নিতে হবে। গরম থাকতে থাকতেই হাতের সাহায্যে ছোট ছোটো মোয়া বানিয়ে নিতে হবে। খুব সহজেই তৈরি চিঁড়ের মোয়া।

ফুলকপির তরকারি বা ফুলকপি ডিমের ডানলাঃ 

Aalu-Gobi-Sabji-fulkopi-Potato-Cauliflower-Curry-torkari

উপকরণ :- বড় ফুলকপি থেকে ৬ টা বড় বড় ফুল ছাড়ানো, ছোটো সাইজের ৩ টে আলু ২ ভাগ করা, পেঁয়াজ কুচি ১/২ কাপ, টম্যাটো ছোট ছোট করে কাটা ১/২ কাপ, মাঝারি সাইজের ২ টো টম্যাটো ২ ভাগ করে কাটা, ধনেপাতা সামান্য, আদাবাটা ১/২ চামচ, রসুন বাটা ১/২ চামচ, পোস্ত বাটা ২ চামচ,হলুদ গুঁড়ো ১ চামচ, লঙ্কা গুঁড়ো ১ চামচ, কাশ্মীরি লঙ্কা গুঁড়ো ১/২ চামচ, গোটা কাঁচালঙ্কা ২ টি, গোটা শুকনো লঙ্কা ২ থেকে ৩টি, গোটা জিরে ১ চামচ, ৩ টে ডিম, সরষের তেল আর লবণ পরিমাণ মতো।

কিভাবে বানাবেন ফুলকপি ডিমের ডানলা বা ফুলকপির তরকারি?

প্রণালী :- প্রথমে একটি পাত্র তে সামান্য জল নিয়ে গ্যাস এ বসাতে হবে, পাত্রর তলাটা যেন চ্যাপ্টা হয়। ৩ টে ডিমের জন্য ৩ টি ছোট ছোট বাটি নিতে হবে। বাটি গুলোতে সামান্য করে সরষের তেল দিয়ে ভালো করে মাখিয়ে নিতে হবে। বাটির তলায় যেন একটু করে তেল থাকে। ওই তেলেই সামান্য লবণ দিয়ে ডিম ফাটিয়ে দিয়ে দিতে হবে আর ডিমের উপরেও সামান্য লবণ দিতে হবে, তবে পরিমান মতো। ডিমে বেশি লবণ দিলে খেতে ভালো লাগবেনা। তাই যতোটা পারবেন কম দেবেন।

এবার গরম জলে বাটি গুলো বসিয়ে দিতে হবে। আগেই দেখে নিতে হবে বাটির থেকে জলের লেবেল যেন কম থাকে আর বাটি গুলো যেন পাত্রের তলায় ঠেকে থাকে। গরম জল ফুটে উঠলে গ্যাস টা কমিয়ে দিতে হবে। না হলে ডিমে জল পড়ে যাবে। কিছু সময় পর দেখা যাবে বাটির নিচে থাকা সরষের তেল উপরে উঠে আসবে। গ্যাস আসতে জ্বলার জন্য ১০ থেকে ১৫ মিনিট রাখতে হবে। এরপর গরম জলের পাত্র টা নামিয়ে রাখতে হবে। ডিমের বাটি ঐ জলেই থাকবে। বাটির নিচের দিকের ডিম জমাট বেঁধে যাবে, কিন্তু ওপরটা ফুলকফির ঝোলে দিলেই হয়ে যাবে। ডিম নরম ই খেতে ভালো লাগবে।

লবণ আর হলুদ দিয়ে আলু সেদ্ধ করে নিতে হবে আর ফুলকপি সামান্য সেদ্ধ করে নিতে হবে। এরপর কড়াই এ ২ চামচ সরষের তেল দিয়ে গোটা জিরে, শুকনো লঙ্কা দিতে হবে। ভাজা হলে বাটিতে ঢেলে নিতে হবে। আবার কড়াই তে সামান্য তেল দিয়ে ফুলকপি আর আলু নেড়ে তুলে নিতে হবে।

এরপর কড়াই তে তেল দিয়ে পেঁয়াজ ও টম্যাটো কুচি আর হাফ করা টম্যাটো দিয়ে বেশ কিছুক্ষণ নাড়তে হবে। পেঁয়াজ ভাজা হয়ে এলে একে একে আদা বাটা, রসুন বাটা, পস্তো বাটা, লঙ্কাগুঁড়ো, কাশ্মীরী লঙ্কা গুঁড়ো, হলুদ গুঁড়ো, ধনেপাতা, কাঁচালঙ্কা দিয়ে মশলা কষতে হবে। মশলা কষা হয়ে এলে ফুলকপি আলু দিয়ে জল দিতে হবে। জল টা পুরোপুরি নির্ভর করবে ফুলকপি আর আলু সেদ্ধর ওপর। ফুলকপি বেশি সেদ্ধ হলে খেতে ভালো লাগবেনা। তাই দেখে জল দিতে হবে। পরিমান মতো লবন দিয়ে ফুলকপি আলুতে ঢাকা দিতে হবে। কিছুক্ষণ পর ঢাকা খুলে সাবধানে ডিম দিতে হবে। ডিম বেশিক্ষণ রাখার দরকার নেই, তা হলে শক্ত হয়ে যাবে। সামান্য ঝোল থাকলে গ্যাস বন্ধ করে ফুলকপির তরকারি তে তেল সহ ভেজে রাখা লঙ্কা জিরে দিয়ে দিতে হবে। তৈরি ফুলকপির তরকারি বা ফুলকপি ডিমের ডানলা।

চাউমিনের টক ঝাল মুচমুচে

mixed-veg-chowmein-recipe-with-egg-bengali-style 

উপকরণ :- চাউমিন প্রায় ২০০ গ্রাম, ডিম ২টো, ২টো পিঁয়াজ কুঁচানো, গাজর ১টা লম্বা লম্বা করে কাটা, ধনেপাতা কুঁচানো ১/২ কাপ, স্লাইস করে কাটা একটি নারকেলের ১/২, টমাট্যো লম্বা লম্বা করে কাটা ১ বাটি,আদা রুসুন কুঁচানো ১ চামচ, গোল মরিচ গুঁড়ো ১/২ চামচ, হলুদ গুঁড়ো সামান্য,লঙ্কা গুঁড়ো ১ চামচ, ১ টা কাঁচালঙ্কা কুঁচানো,পাতিলেবুর রস ২ চামচ,লবণ পরিমাণ মতো আর সাদা তেল।

আমার যত প্রিয় রেসিপিঃ
রুই মাছের কালিয়া বা ফিস কালিয়া

প্রণালি :-প্রথমে চাউমিন সেদ্ধ করে নিতে হবে।তাই একটি পাত্রে জল,পরিমান মতো লবণ আর ১/২ চামচ তেল দিয়ে গরম করতে হবে। জল ফুঁটে উঠলে চাউমিন দিয়ে কিছুক্ষণ রাখতে হবে। সেদ্ধ হলে জল ঝাড়িয়ে নিতে হবে। ঠাণ্ডা হলে সেদ্ধ চাউমিনে একে একে ডিম, পেঁয়াজ কুঁচি, ধনেপাতা, গাজর, নারিকেল, টমাট্যো, লঙ্কা কুঁচি, গুঁড়ো লঙ্কা, হলুদ গুঁড়ো, আদা রুসুন কুঁচি, গোলমরিচ গুঁড়ো, পাতিলেবুর রস আর পরিমাণ মতো লবণ দিয়ে ভালো ভাবে মাখিয়ে নিতে হবে। এরপর কড়াই এ তেল দিয়ে গরম হতে দিতে হবে। তেল গরম হলে অল্প অল্প করে ডিম মশলা মাখানো চাউমিন কড়াই তে দিতে হবে। চাউমিন এপিঠ ওপিঠ ভালো ভাবে ভেজে তুলে নিতে হবে। ভালো ভাবে ভাজলেই তৈরি চাউমিনের টক ঝাল মুচমুচে।


 নিরামিষ গোটা আলুর দম

veg-potato-curry-niramish-gota-alur-dom

উপকরণ :- ছোট ছোট গোটা আলু ৫০০ গ্রাম, টম্যাটো ডুমো ডুমো করে কাটা ১ বাটি, টম্যাটো পেস্ট ১ চামচ, ধনেপাতার পেস্ট ১ চামচ, আদা বাটা ১ চামচ, দই ২ চামচ, লঙ্কা গুঁড়ো ২ চামচ, কাশ্মীরি লঙ্কার গুঁড়ো ১/২ চামচ,হলুদ গুঁড়ো ১চামচ, ধনেগুঁড়ো ১চামচ, জিরে গুঁড়ো ১চামচ, ঘি ১চামচ, গোটা তেজপাতা ২টি, গোটা শুকনো লঙ্কা ২টি, লবঙ্গ ৩ টি, এলাচ ৩ টি, দারচিনি বড়ো ১টি, পরিমাণ মতো লবণ আর সাদা তেল বা সরষের তেল।


আমার যত প্রিয় রেসিপিঃ

কিভাবে বানাবেন নিরামিষ গোটা আলুর দম?

প্রণালি :- গোটা আলু গুলো খোসা না ছাড়িয়ে জল দিয়ে ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে। কুকারে জল আর পরিমাণ মতো লবণ দিয়ে আলু সেদ্ধ করে নিতে হবে। ৩ থেকে ৪ টে সিটি দিলেই নামিয়ে নিতে হবে। কড়াই তে সেদ্ধ করলে একটু বেশি সময় লাগবে। ঠান্ডা হলে খোসা ছাড়িয়ে নিতে হবে। এরপর কড়াই তে সামান্য তেল দিয়ে খোসা ছাড়ানো আলু ভালো ভাবে ভেজে নামিয়ে নিতে হবে। আলু নামিয়ে নেওয়ার পর কড়াই তে আবার তেল দিতে হবে। তেল গরম হলে একে একে তেজপাতা, শুকনো লঙ্কা, লবঙ্গ , এলাচ, দারচিনি দেবার পর ডুমো ডুমো করে কাটা টমাট্যো দিয়ে ২থেকে ৩ বার এদিক ওদিক নাড়াচাড়া করার পর আদা বাটা, টমাট্যো পেস্ট, ধনেপাতার পেস্ট, লঙ্কা গুঁড়ো, হলুদ গুঁড়ো, কাশ্মীরি লঙ্কার গুঁড়ো, জিরে গুঁড়ো, ধনে গুঁড়ো আর দই দিয়ে বেশ কিছুক্ষণ নাড়ার পর ভেজে রাখা আলু সব দিয়ে দিতে হবে। আলু আর মশলা ভালোভাবে মিশে গেলেই জল দিতে হবে। আলু আগেই সেদ্ধ ছিল তাই বেশি জল দেবার দরকার নেই। জল পুরটাই নির্ভর করবে আলু সেদ্ধর ওপর। গোটা আলু গুলো ছোটোও হতে পারে আবার একটু বড়োও হতে পারে। আলুতে জল দেবার পর পরিমান মতো লবণ দিয়ে ঢাকা দিতে হবে। আলু সেদ্ধর সময় লবন দেওয়া ছিলো। তাই লবন টা পরিমান মতো। কিছুক্ষণ পর ঘি দিয়ে নামিয়ে নিতে হবে নিরামিষ গোটা আলুর দম।


MKRdezign

Contact Form

Name

Email *

Message *

Powered by Blogger.
Javascript DisablePlease Enable Javascript To See All Widget