
অনেকেই যখন শুনতে পান তিনি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত, তখন ভয়ে খাওয়া-দাওয়া পর্যন্ত ছেড়ে দেন। এমনকি যে কোনো ফল খেতেও ভয় পান। এটি একদমই ঠিক নয়। ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হলে সব খাবারই খাওয়া যাবে, তবে পরিমাণমতো। তাই ডায়াবেটিক রোগীরা খাবার নিয়ে বৃথা সংশয়ে না থেকে বুঝে শুনে পরিমাণমতো খান। গবেষণায় পাওয়া যায়, ডায়াবেটিসের রোগীদের জন্য ক্ষতিকর খাবার যেমন রয়েছে, তেমনি কিছু আদর্শ খাবারও রয়েছে। যে খাবারগুলো উচ্চমানের ফাইবার, অ্যান্টি-অঙ্েিডন্ট ও নানা ভিটামিনে সমৃদ্ধ, সেসব খাবারকেই ডায়াবেটিসের আদর্শ খাবার বলা হয়। মার্কিন একদল গবেষক তাদের গবেষণা শেষে বলেন, উচ্চমাত্রার ফাইবার ও অ্যান্টি-অঙ্েিডন্টযুক্ত খাবার রক্তে কোলেস্টেরল এবং চিনির মাত্রা ঠিক রাখে। সাধারণত বিভিন্ন ফলমূলের মধ্যে উচ্চমাত্রার ফাইবার, অ্যান্টি-অঙ্েিডন্ট ও ভিটামিন থাকে। পেঁপে, আপেল, কমলা, পেয়ারা ও গাজরে এ উপাদানগুলো বেশি পরিমাণে পাওয়া যায়। বিশেষ করে গাজর ডায়াবেটিক রোগীদের রক্তে সুগারের মাত্রাকে কমিয়ে আনতে কার্যকরী ভূমিকা রাখে। এ ফলগুলোতে রয়েছে উচ্চমাত্রার প্রাকৃতিক বিটা ক্যারোটিন। এ বিটা ক্যারোটিন দেহে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমায় এবং রক্তে সুগারের মাত্রাকে নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। এ ফলগুলো বাদে ব্রকলি ও জলপাইও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। বিশেষ করে ব্রকোলিতে থাকা ক্রোমিয়াম রক্তে সুগারের মাত্রা দীর্ঘ সময় ধরে নিয়ন্ত্রণে রাখে। তাই এ ফলগুলোকে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে আদর্শ ফল বললেও ভুল হবে না। তাই যারা ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হওয়ায় খাওয়া নিয়ে চিন্তিত থাকেন, তারা এ ফলগুলো নিশ্চিন্তে খেতে পারেন।
Post a Comment